php glass

টঙ্গীতে তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

টঙ্গীর হিমারদীঘি এলাকার এক বাড়িওয়ালার বখাটে ছেলে কর্তৃক ভাড়াটিয়ার মেয়েকে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের নাম জোসনা আক্তার (১৮)। ঘটনার পর বাড়িওয়ালার পরিবারের সব সদস্য গা ঢাকা দিয়েছে।

টঙ্গীঃ টঙ্গীর হিমারদীঘি এলাকার এক বাড়িওয়ালার বখাটে ছেলে কর্তৃক ভাড়াটিয়ার মেয়েকে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের নাম জোসনা আক্তার (১৮)। ঘটনার পর বাড়িওয়ালার পরিবারের সব সদস্য গা ঢাকা দিয়েছে।

নিহত জোসনার মা ফরিদা ও বড় ভাই ফরিদুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টায় জোসনা প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘরের বাইরে গেলে বাড়িওয়ালা কাজীমদ্দিনের ছেলে লম্পট মইনুদ্দিন তাকে জাপটে ধরে।

মইনুদ্দিন এসময় বখাটে বন্ধুদের সহযোগিতায় জোসনাকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক পাশের প্রাচীর বেষ্টিত একটি খোলা জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের দায় থেকে মুক্তি পেতে জোসনার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় জোসনার আত্মচিৎকারে তার বড় ভাই ফরিদ ঘুম থেকে উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে আসলে মইনুদ্দিন দ্রুত পালিয়ে যায়। জোসনাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে টঙ্গী হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

রোববার ভোর ৪টায় জোসনা ঢামেকের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এদিকে এ হত্যাকান্ড ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল জোর চেষ্টা চালায়। তারা পুলিশকে না জানিয়েই গোপনে নিহত জোসনার লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করে। একাজটি করতে গিয়ে তারা নিহত জোসনার অসহায় পরিবারকে বিভিন্ন প্রলোভনও দেখায়।

এমনকি গতকাল বিকেলে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে গোপনে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর প্রাক্কালে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে সাংবাদিকরা থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ থানায় নিয়ে যায়। শনিবার রাতে এ  প্রতিবেদন  লেখার সময় টঙ্গী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

এদিকে বিষয়টি ব্যাপক জানাজানির পর মইনুদ্দিন ও তাদের পরিবারের সব সদস্য বাসায় তালা দিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। পাশের বাড়ির মালিক মইনুদ্দিনের মামা নূরুল ইসলামও ঘটনার পর থেকে লাপাত্তা হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

নিহত জোসনা স্থানীয় হক কার্বাইট কারখানায় এক মাস আগে চাকরি নেন। জোসনারা ৪ বোন ও ২ ভাই। প্রায় ১০ বছর আগে পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম জোসনার বাবা ফজলুর রহমান মারা যান। এর পর থেকে তাদের সাত সদস্যের পরিবারটি মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে। তাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার তেলিজানা গ্রামে।

বাংলাদেশ সময়: ২১১৫ ঘণ্টা, জুন ০৫, ২০১১

মেহেরপুরে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু
বিদেশি পিস্তলসহ কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক
রাত ২টা থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ
টটেনহামের রোমাঞ্চকর জয়
রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম


দম ফেলার ফুসরত নেই সাভারের ফুল বিক্রেতাদের
১৬ ডিসেম্বর বাঙালির ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্জনের দিন
জাপার ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
ফ্যান কারখানায় নিহত প্রত্যেকের পরিবার পাচ্ছে ৫০ হাজার টাকা
ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি আখতার, সম্পাদক মোস্তাফিজ