ঢাকা, শুক্রবার, ৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৯ মহররম ১৪৪২

জাতীয়

ভাতাভোগী ১০ ভাগ বাড়ানো হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯২০ ঘণ্টা, জুন ৫, ২০১১

ঢাকা: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সরকার আগামী অর্থ-বছরে বয়স্ক, দুঃস্থ ও অসচ্ছল ভাতাভোগীর সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ।

রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।



নাছিমুল আলম চৌধুরীর একই বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা মাথাপিছু বরাদ্দের হার ১০ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা শতকরা ২০ ভাগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ’

তিনি জানান, গত ৭ এপ্রিল ২০১১ তারিখে অনুষ্ঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বলয় কর্মসূচী সার্বিক তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে এনামুল হক মোস্তফা শহীদ জানান, দেশের ৬৪টি জেলায় শান্তি নিবাস (বৃদ্ধ নিবাস) স্থাপনে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সমাজসেবা অধিদফতর গত দু’বছরে সারাদেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৫ হাজার ৯১৯ জন উপকারভোগীর বিপরীতে ৪ কোটি ৪৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। ’

সাধনা হালদারের প্রশ্নের জাবাবে সামাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থ-বছরে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৩৮ লাখ ৪৯ হাজার ৬২০ জন ভাতা গ্রহীতার বিপরীতে ১ হাজার ৬৯৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ভাতা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ লাখ ৭৫ হাজার জনকে মোট ৮৯১ কোটি টাকা বয়স্ক ভাতা, ২ লাখ ৮৬ হাজার জনকে মোট ১০২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা, ৯ লাখ ২০ হাজার জনকে ৩৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলা ভাতা, ১ লাখ ৫০ হাজার জনকে ৩৬০ কোটি টাকা মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা এবং ১৮ হাজার ৬২০ জনকে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

এম.আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা শহীদ বলেন, ‘বিপন্ন শিশুদের সুরক্ষা কার্যক্রম দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরে পিকার প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮টি ড্রপ ইন সেন্টার (ডিআইসি) এবং শিশু বিকাশ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৬টি ড্রপ ইন সেন্টার (ডিআইসি) চালু রয়েছে। এছাড়া স্কার প্রকল্পের জনবল নিয়োগ শেষ হলে আরও ১৪টি ড্রপ ইন সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও পূনর্বাসন করা হবে। ’

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৪  ঘণ্টা, জুন ১১, ২০১১

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa