php glass

নিমতলী অগ্নিকাণ্ড

বছর খানেক পর এক লাশ বেওয়ারিশ ঘোষণা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দাবীদার না পাওয়ায় রাজধানীর নিমতলীতে সংঘটিত ইতিহাসের ভয়াবহতম আগ্নিকাণ্ডে নিহত হওয়ার প্রায় এক বছর পর এক হতভাগার লাশ মঙ্গলবার বেওয়ারিশ ঘোষণা করা হলো। তুলে দেওয়া হলো আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে।

ঢাকা: দাবীদার না পাওয়ায় রাজধানীর নিমতলীতে সংঘটিত ইতিহাসের ভয়াবহতম আগ্নিকাণ্ডে নিহত হওয়ার প্রায় এক বছর পর এক হতভাগার লাশ মঙ্গলবার বেওয়ারিশ ঘোষণা করা হলো। তুলে দেওয়া হলো আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে।

তবে সংগ্রহে রাখা হলো ডিএনএ। যাতে ভবিষ্যতে ওই লাশের কোন দাবিদার বেরুলে লাশের শরীর থেকে সংগৃহীত ডিএনএর সঙ্গে তার ডিএনএ মিলিয়ে দেখা সম্ভব হয়।

এছাড়া যেন উপায়ও ছিলো না কোন। নারী নাকি পুরুষ তা চেনারই জো ছিলো না আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া লাশটি দেখে। বোঝা যাচ্ছিলো না তার বয়সও। নিষ্ঠুর নিয়তির বিভৎসতা নিয়ে এ যেন এক অন্য নরকঙ্কাল।

তাই শেষ পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার লাশটি আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে বংশাল থানা পুলিশ।

সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিকারী বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের বাংলানিউজকে বলেন, ‘লাশটি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে ছিলো ঢামেক হাসপাতাল মর্গের হিমঘরে।’

তিনি বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর প্রায় বছর ঘুরে এলেও লাশটির কোন দাবিদার আসেনি। তাই ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোখলেসুর রহমান গত ১৬ মে (সোমবার) বংশাল থানায় এর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির লিখিত আবেদন জানান। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে কনস্টেবল স্বপন মিয়াকে নিয়ে  মর্গে  গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।’

তিনি বলেন, ‘লাশটি পুড়ে কঙ্কাল হয়ে গেছে। এটি দেখে তার বয়স, লিঙ্গ, ধর্ম কিছুই বোঝার উপায় নেই। তাই লাশটিকে বেওয়ারিশ ঘোষণা করে দাফনের জন্য আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তবে লাশটির ধর্মীয় পরিচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেহেতু ঘটনার দিন একটি মুসলিম পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিলো এবং আগুনে পুড়ে মরা অনেকেই ওই বিয়ের অনুষ্ঠানের লোক। তাই এ লাশটিকে মুসলিম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।’

পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর এর ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. এ  কে এম শফিউজ্জামান।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘লাশটি এতোটাই পুড়েছে যে এর শরীরে কোন মাংস নেই। তাই এর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে ময়নাতদন্তের পর লাশের ডিএনএ সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। যদি ভবিষ্যতে এর কোন দাবীদার পাওয়া যায় তাহলে তার সাথে লাশের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে সংঘঠিত ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে ১২৬ জন নিহত হন। ঘটনার দিন সেখানে গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠান চলছিলো।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১১

আশুগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত
লালমনিরহাটে ইয়াবাসহ ভুয়া সাংবাদিক আটক
টানা দুই জয়ে কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টারে বাংলাদেশ
আশুলিয়ায় মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার
আগরতলায় বন সংরক্ষণ বিষয়ক ৩ দিনের কর্মশালা


সেই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিলেন হাফেজ মুজিবুল
বানিয়াচংয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বাঘারপাড়ায় ৬৭১ বস্তা সরকারি চাল জব্দ
বগুড়া-সৈয়দপুর গ্যাস সরবরাহে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু
নারায়ণগঞ্জে ইটভাটার বিদ্যুৎ লাইনে জড়িয়ে শিশুর মৃত্যু