php glass

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

প্রাণচাঞ্চল্য আর প্রাচুর্য ভরা আমাদের এই বাংলাদেশ। কত শত সুখ-দুঃখের ইতিহাস রয়েছে বাংলাকে ঘিরে। জমিদারি প্রথা থেকে আজ আমরা আধুনিক রাষ্ট্রে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু সেই ইতিহাসের আর কালের সাক্ষী হয়ে আজও অনেক কিছু সবাইকে আকৃষ্ট করে। তেমনি এক নিদর্শন জমিদারি প্রথার জমিদার বাড়ি। শুধু সম্পদেই নয়, শিল্পীর নিপুণ হাতের কাজ, নির্মাণ শৈলী মুগ্ধ করে জমিদার-নবাবদের সেই প্রাচীন প্রাসাদ।

প্রাণচাঞ্চল্য আর প্রাচুর্য ভরা আমাদের এই বাংলাদেশ। কত শত সুখ-দুঃখের ইতিহাস রয়েছে বাংলাকে ঘিরে। জমিদারি প্রথা থেকে আজ আমরা আধুনিক রাষ্ট্রে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু সেই ইতিহাসের আর কালের সাক্ষী হয়ে আজও অনেক কিছু সবাইকে আকৃষ্ট করে। তেমনি এক নিদর্শন জমিদারি প্রথার জমিদার বাড়ি। শুধু সম্পদেই নয়, শিল্পীর নিপুণ হাতের কাজ, নির্মাণ শৈলী মুগ্ধ করে জমিদার-নবাবদের সেই প্রাচীন প্রাসাদ।

সে রকমই এক প্রাসাদ মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি।

কারুকার্য খচিত মনোমুগ্ধকর প্রতিটি ভবনের দেয়ালই জমিদারদের আভিজাত্য এবং রুচির পরিচয় ধরে রেখেছে। ৫ একর ৩২ শতাংশ জায়গা জুড়ে জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বেশ উঁচু জমিদার বাড়ির ঢোকার মুখেই রয়েছে বিশাল দুটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বার পেরোলেই খোলা চত্বর। তারপরই রয়েছে জমিদার বাড়ির মূল ভবন। জমিদার বাড়ির আঙিনায় রয়েছে ৪টি বিশাল ভবন, বন্দিশালা, গোলাঘর, রংমহল, দরবার হল, অন্দর মহল। আরো আছে অন্দর মহলের শানবাঁধানো ৪ ঘাটলার দীঘি।

আনুমানিক ১৭৯০ খৃষ্টাব্দে জমিদার বাড়ির গোড়াপত্তন হয়।

শোনা যায়, জমিদার বাবুরা বেশির ভাগ সময়ই রংমহলে কাটাতেন। রংমহলে তারা সুর, সরাব আর নর্তকীদের নৃত্যের ঝংকারে মগ্ন থাকতেন।

কালের সাক্ষী জমিদার বাড়িতে বর্তমানে রংমহলের কক্ষটিতে শোভা পাচ্ছে জমিদারের ব্যবহার্য বিভিন্ন আসবাবপত্র। রংমহলে রাখা কাচের আয়না ও শ্বেতপাথরের দুটি গাভি খুব সহজেই সকলের দৃষ্টি কাড়ে।

১৯৮৭ সালে প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর এই জমিদার বাড়ির দায়িত্ব অধিগ্রহণ করে। তারপর তারা আগের আদলেই এটিকে রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে। প্রতিদিনই এখানে দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা ভিড় করেন।

ঢাকা শহরের কাছেই মানিকগঞ্জে আপনি খুব সহজেই যেতে পারেন। পরিবার এবং বন্ধুদের নিয়ে একদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন ইতিহাসের নিরব সাক্ষী বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। এই বাড়ির সৌন্দর্য আপনাদের মুগ্ধ করবে। দীঘির পাড়ে বসে কিছুটা সময় কাটিয়ে একরাশ ভালোলাগা নিয়ে ফিরে আসবেন এটা বলা যায়।

জানা যায়, মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার বিনোদপুর ছিল বালিয়াটি জমিদারদের পূর্ব নিবাস। মহেশরাম সাহা নামে জনৈক বৈশ বরেন্দ্র শ্রেণীর ছোট্ট এক কিশোর নিতান্তই ভাগ্যের অন্বেষণে বালিয়াটি আসেন এবং জনৈক পান ব্যবসায়ীর বাড়িতে চাকুরি নেন। পরবর্তীতে ওই বাড়িরই মেয়ে বিয়ে করে শশুরের সঙ্গে ব্যবসা করে প্রথম শ্রেণীর ব্যবসায়ী হন। মহেশ রামের ছেলে গনেশ রাম লবণের ব্যবসা করে আরো উন্নতি লাভ করেন। গনেশ রামের ঘরে গোবিন্দ রামসহ ৪ ছেলে জন্মগ্রহণ করে। গোবিন্দ রাম বালিয়াটিতে বিয়ে করে এখানেই বসবাস শুরু করেন। গোবিন্দ রামের ৪ ছেলে প্রথমে একসঙ্গে এবং পরে পৃথক পৃথকভাবে ব্যবসা শুরু করেন। এই ৪ ভাই থেকেই বালিয়াটি  গোলাবাড়ি, পূর্ববাড়ি, পশ্চিমবাড়ি, মধ্যবাড়ি ও উত্তরবাড়ি নামে ৫টি  জমিদার বাড়ির সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৫ ঘণ্টা, ১৫ মে, ২০১১

পথচারীদের সচেতন করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন
শুধু ঐতিহ্য নয়, গুণগতমানেও সেরা নকশিকাঁথা
নাচে-গানে আইইউবিএটিতে নবান্ন উৎসব
ধোনির কথায় সেঞ্চুরি মিস!
চলতি মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা নেই


তানভীরের ফিফটিতে রাজশাহীর বিপক্ষে রংপুরের লিড 
শ্রীবরদী সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন পেলো থাইরোকেয়ার
নৌবাহিনীর নাজমুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ
ফেনীতে পিরানহা বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা