php glass

বোরোর মিঠে গন্ধে ম ম করছে রাজশাহীর চারদিক

বাম্পার ফলনে আনন্দিত কৃষক দাম নির্ধারণ না করায় শঙ্কিত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

খরাপ্রবন রাজশাহী জেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাকা ধানের মিঠে গন্ধে ম ম করছে চারিদিক। মাঠে মাঠে পাকা ধানের সোনালী রং কৃষকদের মনে আনন্দের আবাহন নিয়ে এসেছে।

রাজশাহী: খরাপ্রবন রাজশাহী জেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাকা ধানের মিঠে গন্ধে ম ম করছে চারিদিক। মাঠে মাঠে পাকা ধানের সোনালী রং কৃষকদের মনে আনন্দের আবাহন নিয়ে এসেছে।

বিনিয়োগ করা অর্থ ও শ্রমের এমন পরিপূর্ণ ফল দেখে আনন্দ আর আবেগে ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন কৃষাণীরাও।

তবে মাঠ থেকে ফসল দ্রুত গোলায় তোলার চিন্তায় কৃষকের চোখে ঘুম নেই। কারণ মাঝে মধ্যেই কালবৈশাখী ছোবল মারছে এ অঞ্চলে। সবাই একসঙ্গে ধানকাটা শুরু করায় শ্রমিক সংকট চলছে জেলা জুড়ে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাঠের ধান মাঠেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা আর মজুর সংকটে অস্থির হয়ে উঠেছেন অনেক কৃষক।  

এদিকে বাম্পার ফলন দেখে আশায় বুক বাঁধলেও উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়েও কৃষকরা শঙ্কায় রয়েছেন। কারণ, ইতিমধ্যে বাজারে বোরো ধান উঠতেও শুরু করলেও সরকার এখনও দাম নির্ধারণ করেনি। ফলে বোরের বাম্পার ফলনের মুখেও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন কৃষক, চাষি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর সাধারণ শ্রেণীর ক্রেতারাও।


তিন শ’ টাকায়ও মিলছে না কামলা
পবা উপজেলার বড়গাছি গ্রামের কৃষক জসিম উদ্দিন জানান, ফলন ভাল হওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। তবে কৃষকরা এক সঙ্গে ধান কাটা শুরু করায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। কামলার মজুরিও বেড়ে গেছে। এলাকা ভেদে ২৫০ টাকা থেকে (তিন বেলা খাওয়া বাদ দিয়ে) ৩০০ টাকা দরে কামলা বিক্রি হচ্ছে। কোনও কোনও এলাকায় ধান কাটার জন্য কামলাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

জসিম উদ্দিন জানান, এবার কাটার পর বিঘাপ্রতি ২০ মণ করে ধান পাওয়া যাচ্ছে। মাড়াই ও শুকানোর পর বিঘাপ্রতি ১৬ থেকে ১৭ মণ টিকবে বলে তাদের ধারণা।

জসিম জানান, ক্ষেতে প্রয়োজনীয় সেচ দিতে না পারায় গত বছর বোরো আবাদ কম হয়। কিন্তু এবছর বিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং না থাকায় গভীর নলকূপগুলি বোরো জমিতে চাহিদা অনুপাতে সেচ দিতে পেরেছে। এর সঙ্গে মাঝে মধ্যে বৃষ্টিও হয়েছে। এ কারণে ফলনও ভালো হয়েছে।

সরকারের উচিত সঠিকভাবে নির্ধারণ করা
এদিকে ধানের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত পবার সফল কৃষক রহিম উদ্দিন সরকার বাংলানিউজকে বলেন, ‘প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করে। কিন্তু ধানের দাম কম হলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবে না। সরকারের উচিত হবে ধানের দাম সঠিকভাবে নির্ধারণ করা।’

তিনি জানান, গত বছর সরকার ধান না কেনায় কৃষকরা মনে করেছিল ধানের দাম কমে যাবে। এর ফলে তারা অনেকটা তড়িঘড়ি করে ধান বিক্রি করে দেয়। এ কারণে কৃষকরা ধানের দাম না পেলেও ফায়দা লুটে নেয় মধ্যস্বত্বভোগীরা।

অতিবৃষ্টি আর শিলাবৃষ্টি না হলেই হয়
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) নূরুল আমীন জানান, জেলার ৯ উপজেলায় এবার ৭৮ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এবার ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ টন। সে হিসেবে, ৩ লাখ সাড়ে ৩ হাজার টন বোরো ধান উৎপাদন হওয়ার কথা।

তিনি বলেন, ‘তবে উৎপাদনের এই লক্ষ্যমাত্রা এবার ছাড়িয়ে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।’

শুধু এ মুহূর্তে অতিবৃষ্টি এবং শিলা বৃষ্টি না হলে কৃষকরা শতভাগ বোরো ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে ডিডি নূরুল আমীন জানান।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৮ ঘণ্টা, ১৫ মে, ২০১১

মেসির গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে আর্জেন্টিনা
আইসিসিআর অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
বনানীতে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
বরের ‘নাগিন ড্যান্স’ দেখে বিয়ে ভেঙে দিল কনে!
অশ্লীল নৃত্যের অভিযোগে যাত্রা প্যান্ডেল ভেঙে দিলো ইউএনও


মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
ফোকফেস্টে দেখা মিললো শাবনাজ-বিন্দুর
শাবিপ্রবি মাভৈঃ আবৃত্তি সংসদের ২১ বছর পূর্তি উদযাপন
কেশবপুরের বিতর্কিত ইউএনও মিজানূর রহমানকে অবশেষে বদলি
ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল পুরস্কার সনজীদা-সেলিনা ও স্বরলিপির