মিগ ২৯ দুর্নীতি মামলা

একদিনে রেকর্ড পরিমাণ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মিগ ২৯ বিমান ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবার রেকর্ড পরিমাণ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন ২৬ জন সাক্ষী।

ঢাকা: মিগ ২৯ বিমান ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবার রেকর্ড পরিমাণ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিন ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন ২৬ জন সাক্ষী। এ নিয়ে দুইদিনে মোট ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো।

বিচারক এম এ মজিদ সাক্ষীদের জবানবন্দী ও জেরা গ্রহণ করে ১০ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, মামলা দায়েরের সাড়ে নয় বছর পর গত ১৮ এপ্রিল বাদী বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর সাবেক পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল জাহিদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ২০০১ সালের ১১ ডিসেম্বর তিনি ঢাকার তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করেছিলেন।

সাক্ষীরা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব) হালিম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম ইকবাল হোসেন, বিমান বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার (অব) তোসাদ্দেক হোসেন, এয়ার কমোডোর (অব) দিদার আলম, মেজর শাহজাহান হায়দার, এয়ার কমোডোর (অব) জাকির হোসেন, এয়ার কমোডোর (অব) সৈয়দ জিলানী, এয়ার কমোডোর (অব) গোলাম কিবরিয়া, এয়ার কমোডোর (অব) লিয়াকত আলী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) আসম আরিফুর রহমান মিয়া, উইং কমান্ডার মো. আতাউর রহমান খান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) শাফকাত আলী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) আবুল কালাম আজাদ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) আমান উল্লাহ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) শেখ নাসিম আলী, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) নাজমুল হক, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) খুরশিদ আলম চৌধুরী, উইং কমা-ার শফিউল আলম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) মুন্সী গোলাম মোস্তফা, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) সাখাওয়াত হোসেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) জিল্লুর রহমান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) মামুনুর রশিদ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) জহিরুল হাসনাত ও উইং কমান্ডার এম এ হান্নান।

আসামিদের মধ্যে ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর আলী আদালতে সময়ের প্রার্থনা করেন। সাবেক জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান মারা গেছেন। আসামিদের মধ্যে এয়ার কমোডর (অব) মির্জা আখতার মারুফ ও সাবেক যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত আদালতে হাজির ছিলেন।
 
অপর দুই আসামি সাবেক বিমান বাহিনী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) জামাল উদ্দিন আহমেদ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সৈয়দ ইউসুফ হোসেন আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা প্রদান করেন। গত ৬ এপ্রিল শেখ হাসিনাকে মামলার আসামির তালিকা থেকে হাইকোর্টের নির্দেশে বাদ দেওয়া হয়েছে।

১৯৯৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার থেকে ৮টি মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমান ক্রয় করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এসব বিমান ক্রয় করে সরকারের ৭শ’ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ এনে ২০০১ সালের ১১ ডিসেম্বর তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো শেখ হাসিনাসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করে।

২০০৩ সালের ২৯ জানুয়ারি ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় ব্যুরো। মামলার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপ সচিব হাসান মাহমুদ দেলোয়ার ও যুগ্ম সচিব বিগ্রেডিয়ার (অব) ইফতেখারুল বাশারকে। ২০০৮ সালের ২০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ সরকারি কৌসুলি শাহিন আহমেদ খান।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, মে ৩, ২০১১

Nagad
সাহারা খাতুনকে শেষ শ্রদ্ধা
রোয়াংছড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নারী নিহত 
বৃষ্টিতে ভোগান্তি, বন্দরে সতর্কতা সংকেত
বনানী কবরস্থানে সাহারা খাতুনের দ্বিতীয় জানাজা
বান্দরবানের রাজগুরু বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ আর নেই


রাজধানীর পথে-ঘাটে ভেজাল সুরক্ষা পণ্যের কারবার
বনানী কবরস্থানে সাহারা খাতুনের মরদেহ
নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপরে
ছোটপর্দায় আজকের খেলা
করোনা সম্পর্কিত নতুন রোগ বাংলাদেশেও