পুলিশের সহায়তায় আশুলিয়ায় ব্যবসায়ীর জমি দখল

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

পুলিশের সহায়তায় আশুলিয়া থানা এলাকায় আজিজুল হক প্রিন্স আক্তার বাবলু নামের এক ব্যবসায়ীর জমি দখল করে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ আমলে না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী।

ঢাকা: পুলিশের সহায়তায় আশুলিয়া থানা এলাকায় আজিজুল হক প্রিন্স আক্তার বাবলু নামের এক ব্যবসায়ীর জমি দখল করে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ আমলে না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী।

জমির মালিক আজিজুল হক বলেন, আশুলিয়া থানার বাইপাইল মৌজা সংলগ্ন ২৩০ শতাংশ জমি সি এস রেকর্ড অনুযায়ী খরিদ সূত্রে প্রায় ২২ বছর ধরে ভোগ করে আসছেন। ওই জায়গায় বাড়ি, ফ্যাক্টরি ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। জমির খাজনা, নামজারিসহ সবকিছু নিয়মিত সম্পন্ন করা আছে।

তিনি জানান, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সন্ত্রাসী এম. বাদল, চাঁন মিয়া, কাজী ওবায়দুর, কামরুজ্জামান ও বাদশা মিয়া জমিটি নিজেদের দাবী করে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াসের মাধ্যমে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পরদিন তাকে থানায় হাজির হওয়ায় নোটিশ পাঠায়।

কিন্তু নির্ধারিত দিনে জরুরি কাজ থাকায় তিনি থানায় হাজির হতে পারেননি। এদিকে ২১ ফেব্রুয়ারি চাঁন মিয়া গং প্রায় ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে ওই জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও ভাংচুর চালায়।

জমি দখলের সময় আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস ও জলিল উপস্থিত থেকে সন্ত্রাসীদের মদদ দেন বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর ভাই ইকবাল হোসেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে কিছুদিন ওই সন্ত্রাসীরা চুপ থাকে।

পরবর্তীতে সন্ত্রসীরা গত ১ মে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। একইদিন সন্ত্রাসী এম. বাদল, চাঁন মিয়া, কাজী ওবায়দুর, কামরুজ্জামান ও বাদশা মিয়া থানার এসআই ইলিয়াস ও এসআই মনিরসহ স্থানীয় ও বহিরাগত প্রায় আড়াইশ’ সন্ত্রাসী নিয়ে ওই জমিতে পুনরায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। একই সাথে তারা জমিটি দখল করে তাতে বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে সেখানে ইট ও বালু ফেলে।

এসময় এসআই ইলিয়াস জমিতে অবস্থানরত লোকজনকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী আজিজুল হক।

তিনি বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলামের কাছে বেশ কয়েকবার অভিযোগ নিয়ে গেলেও তিনি তা আমলে নেননি। উপরন্তু, উপরের নির্দেশ ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ করা যাবেনা বলে জানিয়ে দেন। এছাড়া সন্ত্রাসী চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে বিভিন্ন থানায় ১২/১৩ টি মামলা রয়েছে।   

এব্যাপারে ওসি সিরাজুল ইসলামের সাথে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে এধরনের কোন অভিযোগ পাননি বলে বাংলানিউজকে জানান এবং পরে জরুরি আরেকটি ফোন এসেছে বলে লাইন কেটে দেন।

এসআই ইলিয়াসের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অপরদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে এসআই মনির বাংলানিউজকে জানান, এ ধরনের কোন অভিযোগ তার কাছে নেই।

ব্যবসায়ী আজিজুল হক জানান, ২০০৭ সালে আর. এস রেকর্ডে ত্রুটিজনিত কারণে ওই জমি নিয়ে আদালতে একটি মামলা এখনও বিচারাধীন।

তাই বিষয়টি আদালতে নিষ্পত্তি হওয়ার আগে থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে তা থানার মাধ্যমে মিমাংসা করার জন্য পুলিশ তাকে চাপ দিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫২ ঘণ্টা, মে ০৩, ২০১১

Nagad
যমুনার পানি ফের বিপৎসীমার উপরে, প্লাবিত সিরাজগঞ্জ
করোনায় আক্রান্ত সিএমপির উপ-কমিশনার মিজান আর নেই
দেশে প্রথম আনার চাষ, সফল চুয়াডাঙ্গার মোকাররম
কাঁচা মরিচের দামে কৃষকের মুখে হাসি
পশু বিক্রি: ফেসবুক বেছে নিচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা


বেগমগঞ্জে ৩০ মেট্রিক টন গম জব্দ
করোনা উপসর্গ নিয়ে বিসিএসআইআর কর্মকর্তার মৃত্যু
সভাপতি পদে রাহুলকে চান কংগ্রেসের সাংসদরা
নালিতাবাড়ী-ঝিনাইগাতীতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত
বিপিও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান পলকের