দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা

জবানবন্দি দিতে চট্টগ্রামের আদালতে সাবেক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম আদালতে নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম : চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম আদালতে নেওয়া হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা ডিজিএফআইয়ের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাবেক ডিটাচমেন্ট কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল একেএম রেজাউর রহমান। দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের সময়ও তিনি ওই পদে কর্মরত ছিলেন।

চট্টগ্রাম আদালতে দায়িত্ব পালনকারী নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্ত্তী বাংলানিউজকে বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় রেজাউর রহমানকে নিয়ে সিআইডির একটি বিশেষ টিম আদালতে পৌঁছেছে। বিকেল তিনটার পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হবে।’

দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘অস্ত্র মামলায় সাক্ষী হিসেবে রেজাউর রহমানের জবানবন্দি গ্রহণ করা হচ্ছে।’

প্রসঙ্গতঃ গত ১৩ এপ্রিল দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় চট্টগ্রামের একটি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাদিক হাসান রুমি প্রথম রেজাউর রহমানের নাম উল্লেখ করেন।

জবানবন্দিতে রুমি বলেছিলেন, ‘অস্ত্র আটকের পর ২ এপ্রিল ভোর ৬টার সময় ডিজিএফআইয়ের চট্টগ্রাম ডিটাচমেন্টের কর্নেল রেজাউর রহমান আমাকে অবৈধভাবে আসা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবাররুদ আটকের বিষয়টি জানায়। আমি তাকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নিতে বলি। সঙ্গে সঙ্গে আমি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জানাই। তিনি জানান বিষয়টি তিনি আগে থেকেই অবগত আছেন।’

রুমি বলেন, ‘সকাল আটটার দিকে রেজা আবার ফোন দিয়ে জানায় অস্ত্রগুলো আনার সঙ্গে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার জড়িত। এরপর বাবর সাহেব আমাকে ফোন করে তার সঙ্গে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন।’

রুমি বলেন, ‘চট্টগ্রামে আসার পর কর্নেল রেজা আমাকে জানান, অস্ত্রগুলো ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার জন্য আনা হচ্ছিল। এর সঙ্গে রেজ্জাকুল হায়দার ও এনএসআইয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত। তবে ঘটনার অনেক পর জানতে পারি অস্ত্রগুলো চীন থেকে এসেছে।’
 
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ১এপ্রিল রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) জেটিঘাটে খালাসের সময় দশ ট্রাক অস্ত্র আটক করে পুলিশ।

এ নিয়ে অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় পুলিশ এর আগে চার্জশিট দাখিল করলেও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মহানগর দায়রা জজ মামলা অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।
অধিকতর তদন্ত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত চাঞ্চল্যকর এ মামলায় গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক চারজনসহ মোট পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন- এনএসআইয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিম, সাবেক পরিচালক উইং কমান্ডার শাহাবুদ্দিন, উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন ও ফিল্ড অফিসার আকবর হোসেন।


বাংলাদেশ সময় : ১৪২০ ঘণ্টা, মে ০৩, ২০১১

Nagad
বেগমগঞ্জে ৩০ মেট্রিক টন গম জব্দ
করোনা উপসর্গ নিয়ে বিসিএসআইআর কর্মকর্তার মৃত্যু
সভাপতি পদে রাহুলকে চান কংগ্রেসের সাংসদরা
নালিতাবাড়ী-ঝিনাইগাতীতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত
বিপিও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান পলকের


বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিমালা সংস্কারের পরামর্শ
ভুয়া চিকিৎসকসহ ৩ জনকে কারাদণ্ড, হাসপাতাল সিলগালা
পশ্চিমবঙ্গে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৫৬০ জন
নভোএয়ারে ভ্রমণ করলে ফ্রি কাপল টিকিট
‘টাউট’ শহীদুলের আইন পেশা, আছে মানবাধিকার সংগঠন!