php glass

একবার ছুঁয়ে দেখার আকুতি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বিডিআর বিদ্রোহের আসামি হাবিলদার হেমায়েত হোসেন শুধু একবার তার মেয়েকে ছুঁয়ে দেখার গভীর আকুতি জানালে আদালত সে আকুতি রক্ষা করেন। এ সময় পুরো আদালতের ভেতর তৈরি হয় এক আবেগঘন দৃশ্যের। 

ঢাকা: বিডিআর বিদ্রোহের আসামি হাবিলদার হেমায়েত হোসেন শুধু একবার তার মেয়েকে ছুঁয়ে দেখার গভীর আকুতি জানালে আদালত সে আকুতি রক্ষা করেন। এ সময় পুরো আদালতের ভেতর তৈরি হয় এক আবেগঘন দৃশ্যের।

বুধবার সকালে পিলখানা বিজিবি দরবার হলে বিচার চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

দরবার হলে স্থাপিত বিশেষ আদালত-৭ এ ২৪ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৬৬৭ জওয়ানের বিচার হচ্ছে।

এদিন আদালতে আসামিদের পক্ষে সাফাই সাক্ষীদের বক্তব্য শোনা হচ্ছিল।

আদালতে হাবিলদার মো. আব্দুল লতিফের সাফাই সাক্ষীর বক্তব্য শেষে হেমায়েত হোসেনের সাফাই সাক্ষীরা আদালতে তাদের বক্তব্য দেন।

এ সময় হেমায়েত হোসেনের দ্বিতীয় সাফাই সাক্ষী তার মেয়ে মোছা. তাহমিনা আক্তার আঁখি আদালতে উঠে অনেক দিন পর বাবাকে দেখে কেঁদে ফেলেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আদালতে নিজের বাবাকে সৎ সৈনিক দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা নির্দোষ। ঘটনার দিন ভিতরে কী হয়েছিল আমি তাকে সেটা জিজ্ঞেস করলে তিনি কিছু বলতে পারেননি।’

মেয়ের সাক্ষ্য দেওয়া শেষ হলে বাবা হেমায়েত আদালতের কাছে মেয়েকে একবার ছুঁয়ে দেখার আবেদন করেন।

আদালত অনুমতি দিলে অনেকদিন পর নিজের মেয়েকে ছুঁয়ে দেখেন তিনি।

এ সময় আদালতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আদালতে উপস্থিত সবার চোখে এ সময় পানি চলে আসে।

তাদের এই আবেগে আদালত অন্য যে সব আসামীর নিকটাত্মীয়রা সাফাই সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন আদালত কার্যক্রম শেষে তাদের পাঁচ মিনিটের জন্য দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।

মামলার প্রসিকিউটর ২৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর খান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, মানবিক দিক বিচার করে সিপাহী হাসিম, হাবিলদার হেমায়েত ও সিপাহী শফিককে নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সর্বমোট ৬৬ জন আসামি ১৯২ জন সাফাই সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন।

আদালত সেগুলো যাচাই করে ১০০ জনের সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেন জানান তিনি।

এদিন আদালতে ৬ জন আসামির পক্ষে মোট ১৬ জন সাফাই সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য  দেওয়া শেষে মামলার প্রসিকিউটর সাফাই সাক্ষীদের জেরা করেন।

দুপুর সোয়া ১টার দিকে আদালতের কার্যক্রম বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।

এর আগে রোববার প্রথম সাফাই সাক্ষীর দিনে ২১ জন সাফাই সাক্ষী তাদের বক্তব্য রাখেন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৬ জন আসামির পক্ষে ৩৭ সাফাই সাক্ষী বক্তব্য দিলেন।

বিডিআর আইন অনুযায়ী সাফাই সাক্ষ্য শেষে যুক্তিতর্কের দিন ধার্য করা হবে। যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করবেন আদালত।

গত বছরের ৩১ মার্চ ২৪ রাইফেলস ব্যাটলিয়নের ৬৬৮ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়।

এরপর ৪ সেপ্টেম্বর এ মামলার সাক্ষ্য নেওয়া শুরু হয়। বুধবার পর্যন্ত ২৪ কার্যদিবসে সেনা কর্মকর্তাসহ ৫৮ জন প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

একে একে আসামিরাও তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদানকারীদের জেরা করেন।

আদালতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলাম।

তাকে সহায়তা করছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. সোহরাওয়ার্দী ও লে. কর্নেল একেএম গোলাম রব্বানী, মেজর সাইদ হাসান তাপস।

বাংলাদেশ সময়: ১৮১০ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১১

ksrm
মুষ্টিমেয় শিক্ষক আন্দোলনের কলকাঠি নাড়াচ্ছেন
নকলায় বাসচাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত
জাতীয় নারী দাবায় শীর্ষস্থানে রানী হামিদ
আন্দোলনের মুখে ইবি প্রক্টরকে অব্যাহতি
ফরিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এনজিও কর্মকর্তা নিহত


বিজয়নগর সায়েম টাওয়ার থেকে আটক ১৭
চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ছাগলনাইয়া পাইলট
ইয়েমেনের কাছে হেরে গেলো বাংলাদেশের কিশোররা
বৃক্ষরোপণে জীবনমান উন্নত হবে: এমএ মালেক
ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগ নেতা ইয়াবাসহ গ্রেফতার