জাতিসংঘ পার্ককে মেলা প্রাঙ্গণ করার প্রতিবাদে খুলনায় মানববন্ধন

385 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

জাতিসংঘ শিশু পার্ককে মেলা প্রাঙ্গণে পরিণত করার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই বাস্তবায়ন করতে দেয়া যাবে না। শিশুদের পার্ক শিশুদের ফিরিয়ে দিতে হবে।

খুলনা: জাতিসংঘ শিশু পার্ককে মেলা প্রাঙ্গণে পরিণত করার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই বাস্তবায়ন করতে দেয়া যাবে না। শিশুদের পার্ক শিশুদের ফিরিয়ে দিতে হবে। নগরীর শিশু পার্কগুলোর বেহাল দশা কাটিয়ে উঠতে হবে। মেলা প্রাঙ্গণ খুলনাবাসীর প্রয়োজন, তবে সেটি কোনভাবেই জনবহুল এলাকায় নয়। জাতিসংঘ শিশু পার্কটি আধুনিক করে শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

বুধবার দুপুরে জনউদ্যোগ, নাগরিক ফোরাম, বেলা, অপরাজেয় বাংলাদেশ, পরিবর্তন-খুলনা,  বাপা, সিসিডি, বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী, ছায়াবৃক্ষ, সোনালী দিন প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন, পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতি, আলীজ একাডেমী, জাতীয় কবি নজরুল গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে জাতিসংঘ শিশু পার্কের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা।সভা পরিচালনা করেন জনউদ্যোগের সদস্য সচিব মহেন্দ্র নাথ সেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল কাইয়ুম, কৃষকলীগ নেতা শ্যামল সিংহ রায়, জাসদ নেতা রফিকুল হক খোকন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মফিদুল ইসলাম, ন্যাপ নেতা তপন রায়, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুন্সি মাহাবুব আলম সোহাগ, নারী নেত্রী শামীমা সুলতানা শীলু, সিলভী হারুণ, যুবলীগ নেতা সালাম ঢালী, যুবসংহতির নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, লেবার পার্টির নেতা আলহাজ্ব লোকমান হাকিম, জেপি নেতা শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের নগরীতে শিশুদের জন্য কোন বিনোদন কেন্দ্র নেই। যাও আছে তাও শিশুদের খেলার উপযোগী নয়। গোলকমনি শিশু পার্ক, শের-এ-বাংলা রোডস্থ মিনি শিশু পার্ক , সোনাডাঙ্গাস্থ মিনি শিশু পার্ক, নিরালা রোডস্থ শিশু পার্ক ,খালিশপুর রোডস্থ শিশু পার্ক ,খুলনা লেডিস পার্ক আজ শ্রেণী পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, কেসিসি নির্বাচনে সকল মেয়র প্রার্থী তার নির্বাচনী অঙ্গীকারে আধুনিক শিশু পার্ক তৈরীর অঙ্গীকার করলেও আজ তা বেমালুম ভুলতে বসেছেন।
তারা বলেন, ১৯৯৪ সালে গড়ে ওঠে মহানগরী শিশু পার্ক। ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ৫০ বছর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠানকে খুলনাতে স্মরণীয় করে রাখতে এই পার্কের নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতিসংঘ পার্ক’।

পার্কটির মধ্যে শিশুদের খেলাধুলার জন্য বিভিন্ন ধরণের রাইডারসহ  ভ্রমণকারীদের জন্য বসার স্থান তৈরি করা হলেও বর্তমানে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে সেগুলো অপরিচ্ছন্ন ও ভঙ্গুর হয়ে গেছে।

উপরন্ত পার্কটির পূর্বপাশের জায়গা দিনে দিনে বেদখল  হয়ে গড়ে উঠেছে ধর্মীয় উপাসনালয়, তৈরি হয়েছে পীরের মাজার, বহুতল বিশিষ্ট আরবান হেলথ কেয়ার সেন্টার, সিটি কর্পোরেশনের পানি উত্তোলনের পাম্প হাউজ। এই আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে পার্কটি হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য , প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২০, ২০১৪

জলঢাকায় উপজেলা নির্বাচনে বৈধতা ফিরে পেলেন বাহাদুর 
‘বিকশিত হোক শত ভাবনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
গাপটিলকে থামালেন সাইফ 
খুলনায় পচা মিষ্টি বিক্রির দায়ে বনফুলকে জরিমানা 
ঘরের মাঠে লিভারপুলের হোঁচট


কানাডায় আগুনে পুড়ে ৭ সিরিয়ান শরণার্থী শিশুর মৃত্যু
বার্সাকে জিততে দিল না লিঁও
শেষ ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
রাবিতে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ২৮ ফেব্রুয়ারি  
মান হারিয়ে আবেদন হারাচ্ছে লিটল ম্যাগ