php glass

ঢাকায় টেলিকনসাল্টেন্সি সাভির্স চালু করবে গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশের কনসাল্টেন্সি ফার্ম ট্রেডসর্থ লিমিটেড এবং মেডিকনসাল্টেসি’কে নিয়ে ঢাকার মতিঝিলে একটি পূর্ণাঙ্গ টেলিকনসাল্টেন্সি সার্ভিস শিগগিরই চালু করতে যাচ্ছে ভারতের গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপ ।

ঢাকা: বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশের কনসাল্টেন্সি ফার্ম ট্রেডসর্থ লিমিটেড এবং মেডিকনসাল্টেসি’কে নিয়ে ঢাকার মতিঝিলে একটি পূর্ণাঙ্গ টেলিকনসাল্টেন্সি সার্ভিস শিগগিরই চালু করতে যাচ্ছে ভারতের গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপ ।

রোববার সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ট্রেডসর্থ লিমিটেড আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ভারতের গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপের হেড চিফ সার্জন ডিপার্টমেন্ট অফ এইচপিবি ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি প্রফেসর মোহাম্মদ রেলা।

তিনি জানান, যেসব রোগী ভারতের গ্লোবাল হসপিটালের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না তাদের জন্যই এ  সার্ভিস। এ সার্ভিস সেন্টারে বিশ্বের সর্বাধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকবে যার মাধ্যমে রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের  সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

এই টেলিকনসাল্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্লোবাল হসপিটালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীদের ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানান প্রফেসর রেলা।

তিনি জানান, গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপ হচ্ছে - ভারতের সবচেয়ে বড় মাল্টি অরগ্যান ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার।
ভারতে এর নয়টি হাসপাতাল রয়েছে। সব মিলিয়ে বেড আছে দুইহাজার।

এসব হাসপাতালে রয়েছে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট, স্পি­ট লিভার, অক্সিলিয়ারি লিভার, লিভিং ডোনার, ক্যাডাভার লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা।

গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ লিভার ডিজিজ ম্যানেজমেন্ট এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রোগ্রাম। এ পর্যন্ত তারা দুইশ’টি সফল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেছে ।

লিভার ছাড়াও বাইপাস সার্জারি, পিন হোল স্পাইন সার্জারি, কী হোল সার্জারি, মাল্টি অরগ্যান ট্রান্সপ্ল্যান্ট (কিডনী, হার্ট, লাংন্স), বোন ম্যারো ট্রিটমেন্ট এর জন্য এ হসপিটাল বিখ্যাত বলে জানান প্রফেসর মোহাম্মদ রেলা।

বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে  লিভার (যকৃত) এবং প্যানক্রিয়েটিক (অগ্নাশয়) রোগের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে বলেও  উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।


বাংলাদেশ এবং ভারতে লিভার রোগের পরিমাণ দিন দিন বাড়ার কারণ হিসেবে এ অঞ্চলের মানুষের খাবার মেন্যূতে শর্করা জাতীয় খাবার বেশি থাকাকে দায়ী করেন তিনি।

এছাড়া খাবার তালিকায় প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবার কম রাখার কারণে এ অঞ্চলের মানুষের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন ।

সময়মতো চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিলে লিভারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার রোগীর শতকরা ৯০ ভাগ সুস্থ হওয়ার সুযোগ থাকে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ভারতের গ্লোবাল হসপিটাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. কে রবীন্দ্রনাথ, ট্রেডসর্থ এর চেয়্যারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনোয়ার হোসেন প্রমুখ।  

বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১১

মায়ের ওপর অভিমান, রাজধানীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
নোয়াখালীতে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে প্রাণ গেলো দু’জনের
প্রণব মুখার্জি-খান আতার জন্ম
খালেদার মুক্তির জন্য স্বেচ্ছায় কারাভোগে রাজি ফেনী বিএনপি
‘মাথাপিছু আয় ৬০০০ ডলারের আগেই সবার কাছে গাড়ি থাকবে’


দলের জন্য সবটুকু অভিজ্ঞতা ঢেলে দেবেন গিবস
কর দিতে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী
মিয়ানমারে গণহত্যার বিচার শুরু, সন্তুষ্ট রোহিঙ্গারা
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসই মানবাধিকার অর্জনের ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা আয়োজন সিএমপির