php glass

বাঁশখালী ট্র্যাজেডি মামলা

আলোচিত আসামি আমিন চেয়ারম্যান কারাগারে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুরে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার অন্যতম আলোচিত আসামি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান ওরফে আমিন চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুরে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার অন্যতম আলোচিত আসামি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান ওরফে আমিন চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার সকালে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে আমিন চেয়ারম্যান জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি একই আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় তিনি এ মামলায় চার্জশিট দাখিলের আগে তাকে দেওয়া উচ্চ আদালতের জামিননামাও দাখিল করেন। বিচারক এ ব্যাপারে শুনানির জন্য রোববার সময় নির্ধারণ করেছিলেন।

জেল হাজতে পাঠোনোর কথা জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাঁশখালী হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিলের পর আমিন চেয়ারম্যান হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানালে আদালত তাকে নিম্ন আদালতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’

উল্লেখ্য ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে বাঁশখালীর সাধনপুর গ্রামের শীলপাড়ায় তেজেন্দ্র লাল শীলের বাড়িতে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

নৃশংস হত্যার শিকার হতভাগ্যরা হলেন, বিমল শীলের বাবা তেজেন্দ্র শীল (৭০), মা বকুল বালা শীল (৬০), চাচা অনিল শীল (৪২) ও তার মেয়ে রূমি শীল (১১), সোনিয়া শীল (৭), স্মৃতি শীল (৩০) ও তার চারদিন বয়সী ছেলে কার্তিক শীল, আরেক চাচা দেবেন্দ্র শীল (৭৫), বাবু শীল (২৫), প্রসাদি শীল (১৭) এবং এ্যানি শীল (১৫)।

এ ঘটনায় প্রথম থেকেই বাদীর পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে তৎকালীন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর চাচাতো ভাই ও স্থানীয় কালীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে। তিনি বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি।

ঘটনার সাত বছর পর গত ১০ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এ মামলার সম্পূরক চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেন মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির এএসপি হাচিং প্রু।

এ অভিযোগপত্রে ৩৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, স্থানীয় কালীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সবুর আহম্মেদ, নজরুল ইসলাম প্রকাশ বাইশ্যা, রশীদ মেম্বার, আব্দুন নবী, আবুল কালাম, নুরুন্নবী, মো.ইউনুস, আহম্মদ মিয়া ওরফে তোতাইয়া, নজরুল ইসলাম, সরওয়ার উদ্দিন, শাহজাহান, আমিনুল হক ওরফে আমিন, আনু মিয়া, সেলিম, বক্কর, রুবেল, আজগর, এনাম, লেদু, আমিন, কামরুল, সাহাব মিয়া, আমির হোসেন, মতলব, আবদুল করিম ওরফে কালা করিম, আর্মি হাসান, শাহজাহান ওরফে দুলা মিয়া, আহাম্মদ হোসেন, সফিউল আজম, আজিজ আহম্মেদ, জসিম, জাবেদ হোসেন মোক্তার, মাহবুবুর রহমান, আবু তৈয়ব, আকবর আলী খান, আবু, আজিজ এবং ফজল কাদের।

এর আগে মামলার আরেক আলোচিত আসামি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সবুর আহম্মেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৪২ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১১

গুচ্ছ কবিতা ।। সৌমনা দাশগুপ্ত
ধামরাইয়ে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সরকার আবার আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে: রিজভী
জনসনের জয়ে ট্রাম্পের নজর বাণিজ্যে!
একাত্তরে চট্টগ্রামজুড়ে গণহত্যা


ইয়োগা অনুশীলনের আগের সতর্কতা
চলে গেলেন অভিনেতা-চিত্রনাট্যকার গোলাপুডি মারুতি রাও
পাটকল শ্রমিকের জানাজা সম্পন্ন, উত্তপ্ত খুলনার শিল্পাঞ্চল
আসামির সেলফিকাণ্ড, ঘটনা তদন্তে ডিবি
৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় এত ভয়াবহ বার্ন দেখিনি: সামন্ত লাল