php glass

চট্টগ্রামের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড সচলের দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জাহাজ কাটা নিয়ে জটিলতা নিরসনে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড সচলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছেন এ সেক্টরের সঙ্গে জড়িত কয়েক হাজার শ্রমিক-কর্মচারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

চট্টগ্রাম: জাহাজ কাটা নিয়ে জটিলতা নিরসনে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড সচলের দাবিতে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছেন এ সেক্টরের সঙ্গে জড়িত কয়েক হাজার শ্রমিক-কর্মচারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে রোববার সকালে ‘শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন, সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রথম দফা আন্দোলন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।  

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়, ১৮ ফেব্রুয়ারি ইয়ার্ডে ইয়ার্ডে শ্রমিক সভা এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ভাটিয়ারীতে শ্রমিক জনসভা।

ওই জনসভা থেকে রাজপথ, রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো.সফর আলী।

সকাল সাড়ে ১০টায় মানববন্ধন শুরুর আগে ‘শিপ ব্রেকিং শিল্প বাঁচাও ! দেশ বাঁচাও!’ এ স্লোগান নিয়ে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন জাহাজ ভাঙ্গা ইয়ার্ড থেকে শত শত শ্রমিক মিছিল নিয়ে চট্টগ্রাম প্রেসকাবের সামনে এসে জড়ো হন। কর্মসূচিতে মিছিল নিয়ে যোগ দেন শিপ ব্রেকিং সেক্টরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নামে একটি সংগঠনের কয়েকশ কর্মী।

পরে প্রেসক্লাবের সামনে মাননবন্ধন কর্মসূচিতে দাঁড়িয়েই সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি সফর আলী।

তিনি বলেন, ‘কথিত পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে তারা শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড বন্ধের মিশন নিয়ে নেমেছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা, ট্রেড ইউনিয়ন কর্মকাণ্ড, তিপূরণের বিষয়ে আর্ন্তজাতিক স্বীকৃত পন্থা হচ্ছে যৌথ দরকষাকষি। শ্রমিক স্বার্থরার জন্য আইএলও স্বীকৃত একমাত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন, কোনো এনজিও সংস্থা নয়।’

কর্মসূচিতে এক পর্যায়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছিরউদ্দিন।

এসময় তিনি বলেন, ‘দেশে ১৯৭৫ সালের মতো দেশী-বিদেশী চক্রান্ত শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকার যখন দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করার ল্য নিয়ে দিন বদলের কর্মসূচি শুরু করেছে তখন একটি মহল ওই কর্মসূচি নস্যাৎ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।’

আ জ ম নাছির বলেন, ‘পরিবেশ রার দোহাই দিয়ে একটি চক্রান্তকারী মহল শিপ ব্রেকিং সেক্টরকে ধ্বংস করে দিতে চায়। তাদের এ কর্মকাণ্ডের কারণে লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী পথে বসেছে, রডের দাম বেড়েছে, আবাসন শিল্পও হুমকির মুখে পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আজ সময় এসেছে সেই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার। ওই অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড নিয়ে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বন্ধ করা এ সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।’

সমাবেশে পুরনো জাহাজ আমদানি, পরিবেশবান্ধব উপায়ে ভাঙ্গার নির্দেশ দেওয়া, নীতিমালার নামে সময়পেণ বন্ধ করাসহ ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩০৯ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১১

ডিসি হিল সংস্কৃতিচর্চার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি
বিশ্বকাপ নয়, আপাতত বিপিএল নিয়েই ভাবছেন সানি
ধরে নিয়ে যাওয়া ২ জেলেকে ফেরত দিলো বিএসএফ
মৌসুমের শুরুতেই ভোলায় জেঁকে বসেছে শীত
মঞ্চ প্রস্তুত, উদ্বোধনের অপেক্ষা


চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মাহফুজুর রহমান খান
ঢাকায় তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির মহাসমাবেশ ৩ এপ্রিল
সন্তানকে বাঁচাতে পারলেও মারা গেলেন বাবা
বরিশালে ই-নামজারি বিষয়ক কর্মশালা
বান্দরবান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেহাল দশা