সামাজিক ব্যবসা ধোঁকা দেয়: মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

সামাজিক ব্যবসার নামে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ঋণ নিলে আর গরীব থাকবে না। একইভাবে জাতিসংঘ গরীবদের আইনের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করার কর্মসুচি নিয়েছে। এটা এক ধরনের প্রতারণা। এ সব দিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও উন্নয়ন হবে না। 

ঢাকা: সামাজিক ব্যবসার নামে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ঋণ নিলে আর গরীব থাকবে না। একইভাবে জাতিসংঘ গরীবদের আইনের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করার কর্মসুচি নিয়েছে। এটা এক ধরনের প্রতারণা। এ সব দিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও উন্নয়ন হবে না।  

শনিবার বিকেলে রাজধানরি সিরডাপ মিলনায়তনে ‘অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার এবং জনস্বার্থ মামলা’ বিষয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র কাউন্সেল কলিন গনসালভেসের পাবলিক লেকচার অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মানবধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যৌথভাবে ব্লাস্ট, নাগরিক উদ্যোগ এবং সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস স্টাডিজ।

মানবধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, সামাজিক ব্যবসা পুজিবাঁদের আধুনিক রুপান্তর। পুজিবাদ এমন অবস্থা করে রাখে যে, বঞ্চিত মানুষের লাইন কেবলই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।

তিনি বলেন, ভারতে আভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে জনস্বার্থে অনেক মামলা পরিচালনা করেন সে দেশের সচেতন আইনজীবীরা। কিন্তু ভারতের বর্ডারে বাংলাদেশি তরুণী ফেলানীর মৃত্যু নিয়ে সেদেশের আইনজীবী বা মানবধিকারকর্মীরা কোন কথা বলেননি।
এমনকি ভারতের মানবধিকার কমিশনের কাছে আমরা এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েও কোন সাড়া পাইনি। তিনি আরও বলেন, ভারতের জেলে অনেক বাংলাদেশি বন্দি জীবন যাপন করছে। তাদের বিষয়েও সেখানকার মানবধিকার কমিশন থেকে কোন উদ্যোগ নেই।

মিজানুর রহমান বলেন, সাংবিধানিক যে সকল অধিকার রয়েছে, তা অবশ্যই রাষ্ট্রকে পালন করতে হবে। সম্পদের স্বল্পতার দোহাই দিলে হবে না। এ জন্য রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে হবে।

তিনি আইনজীবীদের সমালোচনা করে বলেন, আমাদের আইনজীবীরা বঞ্চিতদের পক্ষে দাঁড়ান না। বরং যে মামলা লড়লে আইনজীবীর নামডাক অর্থযশ হবে সেখানে তারা মনোনিবেশ করেন। মৌলিক অধিকার নিয়ে কোনো আইনজীবী লড়েন না।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট কলিন গনসালভেস  লেকচারে তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের নাগালের মধ্যে আনতে হবে। আর না হলে কোন উন্নয়নই সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে ফিরে গিয়ে তিনি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যা বন্ধে সেখানকার মানবধিকার কর্মীও আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
একই সঙ্গে তিনি ভারতের জেলে থাকা বাংলাদেশিরা যাতে দেশে ফিরে আসতে পারে সে বিষয়েও উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট কলিন গনসালভেস ভারতের জনস্বার্থ মামলার প্রবর্তক। তিনি দরিদ্র এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পক্ষে ভারত সরকার এবং শক্তিশালী করপোরেশনের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ মামলায় জয়লাভ করেছেন। তার সবচেয়ে বড় সার্থকতা হল তিনি খাদ্যের অধিকার সংক্রান্ত একটি মামলা করেন, যার সুফল প্রায় ৩৫ কোটি লোক ভোগ করেছেন। কলিন গনসালভেস আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ডসহ দেশ বিদেশের বহু সম্মাননা লাভ করেছেন। তিনি হিউম্যান রাইটস ল নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক।  

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম,কে,রহমান, ব্লাস্টের কনসালটেটিভ গ্রুপের সদস্য ব্যারিস্টার সারা হোসেন, নাগরিক উদ্যোগের সিইও জাকির হোসেন, সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস স্টাডিজ এর উপ-পরিচালক উত্তম কুমার দাস বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ সময়: ০৪২৫ঘণ্টা, ফ্রেব্রুয়ারি ১৩, ২০১১

রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে অবাঞ্চিত ঘোষণা
সাঙ্গ হলো সাগরদাঁড়ির ৭ দিনের মধুমেলা 
আবারও শাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোর্শেদ
ঢাকার ভোটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেবে সেনা
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের প্রয়াণ


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন মুনীরা সুলতানা
ফের বাংলা একাডেমির সভাপতি আনিসুজ্জামান
ঢাকার পিতা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে নারী-তরুণ ভোটার
শুরু হলো ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা
আড়ং‌য়ের চেঞ্জরুমের ভি‌ডিও: সাবেক কর্মীর স্বীকারোক্তি