php glass

সরকারকে ব্যর্থ করতে বিএনপি-জামাত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে : প্রধানমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার যাতে সফল না হতে পারে সেজন্য বিএনপি-জামাত জোট প্রতি পদে পদে বাধা, প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

ঢাকা : আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার যাতে সফল না হতে পারে সেজন্য বিএনপি-জামাত জোট প্রতি পদে পদে বাধা, প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় তারা এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাইবে যাতে দেশের জনগণ বর্তমান সরকারের ওপর বিরক্ত হয়, মুখ ফিরিয়ে নেয়। দেশে বিপুল পরিমাণ খাদ্য মজুদ থাকা সত্বেও কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর নানা কারসাজি করা হচ্ছে। এক শ্রেণীর ব্যবসায়ি এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

শেখ হাসিনা শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভার শুরুতে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন। গণভবনে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শেখ হাসিনা এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, যে কোন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করার শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বর্তমান সরকারের আছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা জনগণের ভাগ্যেন্নয়ন করবোই।

দ্রব্যমূল্য’র উর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে দ্রব্যমূল্য এতো বেড়েছে যা অতীতে কখনও হয়নি। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হলেও ব্যবসায়ীরা আমদানী করতে চাইছে না। এর মধ্যে অন্য কারসাজিও থাকতে পারে। এ কারণে দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। শুধু মাত্র কৃষিতেই ৬ হাজার টাকা ভতর্’কী দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, চাল মজুদ রেখে কৃত্রিমভাবে মুল্য বৃদ্ধির বিষয়টি গভীরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। চালের কোন অভাব নেই। সাড়ে আট লাখ মেট্টিক টন গুদামে মজুদ রয়েছে। এছাড়া চালকল মালিকদের কাছেও প্রচুর পরিমাণ মজুদ আছে। সারাদেশে কার কাছে কত পরিমাণ চাল মজুদ আছে তা আমরা জরিপ করছি, খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

বিরোধী দল বিএনপি এতো সহজে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে দেবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনমতের ভয়ে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে প্রকাশ্য দাঁড়াতে পারছে না। কিন্তু তারা জানে যে এ সরকার ক্ষমতায় থাকলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। তাই র যুদ্ধাপরাধীদের  বাঁচাতে তারা নানা ষড়যন্ত্র করবে।

জেনারেল জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনী ও যুদ্ধাপরাধীদের লালন-পালন ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া এসব খুনীদের পুরস্কৃত করেছেন। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে। তাই এ বিচার এতো সহজে কী তারা করতে দেবে। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি।এ সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার শক্তি আমাদের আছে। য্দ্ধুাপরাধীদের বিচার আমরা করবোই।
 

বিএনপি-জামায়াত জোটের কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ব্যবসা করার জন্য ক্ষমতা আসে। ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি করে জনগণের অর্থ-সম্পদ লুন্ঠন করে নিজেরা সম্পদের মালিক হয়েছেন। ভাঙ্ াছুটকেস দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে ছুটকেস ভরে নিয়ে গেছে। জনগণের জন্য কিছুই করেনি।

স্বাধীনতার ৪০ বছরের মধ্যে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় মাত্র ১১ বছর ক্ষমতায় ছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আসলে জনগণ পুরস্কৃত হয়, আর বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে দেশ তিরস্কৃত হয়।

প্রধানমন্ত্রী মুল্যস্ফীতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা যখন ক্ষমতা গ্রহণ করি তখন মুল্যস্ফীতি ছিল শতকরা ১১ ভাগ। মাত্র দু’বছরে তা আমরা ৬ ভাগে নামিয়ে আনি। বর্তমানে কিছুটা বেড়েছে।
দেশের মানুষকে আমরা কষ্ট পেতে দেব না। তাই অনেক বেশী দামে দ্রব্যমূল্য আমদানী করে আমরা কমমূল্যে বিতরণ করছি। প্রাইস কার্ড, রেশনিং, ভিজিএফ, ভিজিডি, ওএমএসসহ নানা পদ্ধতিতে আমরা স্বল্প আয়ের মানুষের মাধ্যমে কম দামে খাদ্যশস্য বিতরণ করছি।

পৌরসভা ও দুটি উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হয়েছে। এটাই আমাদের ও গণতন্ত্রের বিজয়। কে কয়টা আসনে বিজয়ী হলো সেটা দেখার বিষয় না। বর্তমান সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিয়ে নজীর সৃষ্টি করেছে এটাই বিষয়।
 
তিনি বলেন, এ নির্বাচনের পর অনেকে বলতে চেয়েছে আওয়ামী লীগের সর্বনাশ হয়ে গেছে ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবে প্রায় ৩৬টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের ২/৩ আবার অনেকস্থানে ৮জন প্রার্থী ছিল। এসব পৌরসভায় একজন করে প্রার্থী থাকলে সবগুলোতেই জিততো আওয়ামী লীগ। কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী পেয়েছেন ৩৬ হাজার ভোট। আর মাত্র ১২ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে বিরোধী পক্ষ। সার্বিক হিসাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট মোটেই কমেনি, শুধু একাধিক প্রার্থীর কারণে অনেকস্থানে বিজয় হাতছাড়া হয়েছে।
 
মাত্র ১২শ’ ভোটে হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হেরে গেছে। এ সময় বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে ১২শ’ ভোট কীভাবে কারচুপি বা জোর করে কেড়ে নিত, তা কেউ দেখতেও পেত না।

বাংলাদেশ সময় ২২৩০ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১১

‘যুদ্ধে হিট অ্যান্ড রানে বিশ্বাসী ছিলাম’
ভারতে সেনা ক্যাম্প থেকে রাইফেল-গুলি চুরি, জরুরি সতর্কতা
মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভারতের বাজার আগাম পর্যবেক্ষণ জরুরি
শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্যের জন্য অসুস্থ রাজনীতি দায়ী
যেখানে মেসি-সুয়ারেজের চেয়ে এগিয়ে গ্রিজম্যান


চাকরির আবেদনে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি
রাঙ্গুনিয়ায় নুরুন্নাহার স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা
সোনার স্বপ্ন জাগিয়েও পারলেন না আঁখি
ঘটছে দুর্ঘটনা, তবুও উল্টো পথে চলছে গাড়ি
কাতারকে হারিয়ে গালফ কাপের ফাইনালে সৌদি আরব