php glass

অভিবাসন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ সরকারের: বায়রার সহযোগিতা কামনা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বিদেশে চাকরি নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশিদের অভিবাসন ব্যয় প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এ অভিবাসন ব্যয় যৌক্তিক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ঢাকা: বিদেশে চাকরি নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশিদের অভিবাসন ব্যয় প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এ অভিবাসন ব্যয় যৌক্তিক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শনিবার এক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন।

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রা রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শ্রম অভিবাসীদের অভিবাসন ব্যয়’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে।

প্রবাসী কল্যাণ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের বিদেশগামী কর্মীদের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি খরচ করে যেতে হয়।’

শুধু বিদেশগামী কর্মীরাই নয়, হজসহ অন্য যেকোনোভাবেই যারা বিদেশ যাওয়া হোক না কেন বাংলাদেশিদের অন্যদেশের চেয়ে বেশি খরচ করতে হয় বলেও মন্তব্য করেন জাফর আহমেদ খান।

তিনি বলেন, ‘আমি নিজে হজে গিয়ে দেখেছি, অন্যদেশের হাজিরা তুলনামূলক কম খরচ করে সেখানে এসেছেন।’

সচিব আরও বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীদেরও অন্যদেশের তুলনায় বেশি খরচ করে বিদেশ যেতে হয়।’

রিক্রুটিং এজেন্সির সংগঠন বায়রা’র সঙ্গে আলোচনা করেই অভিবাসন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এক্ষেত্রে বায়রার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।  

সচিব বলেন, ‘এ সংক্রান্ত কমিটি কাজ করছে। আগামী এক থেকে দু’ মাসের মধ্যেই অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এটা মেনে চলাও বাধ্যতামূলক হবে।’

জনশক্তি রপ্তানির সংখ্যা কমে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ সচিব বলেন, ‘২০০৭ ও ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জনশক্তি রপ্তানিখাতে কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বেশি হারে জনশক্তি রপ্তানি করা হয়। সেই সময় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিরা হয়রানির শিকারও বেশি হয়।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে বায়রার সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, ‘অভিবাসন ব্যয় কমানো হোক এটা আমরাও চাই।’

তিনি বলেন, ‘অভিবাসন ব্যয় কত হলে তা যৌক্তিক হবে সে সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গত বছরের ৭ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে লিখিত আকারে দেওয়া হয়েছে।’

অভিবাসন ব্যয় সংক্রান্ত নির্দেশনা ছাড়া জনশক্তি রপ্তানি বিষয়ক বিধিবিধানের প্রয়োগ যথাযথভাবে প্রয়োগ করারও সুপারিশ করেন বায়রা সভাপতি।  

গোলটেবিল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বায়রা’র মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, ‘অভিবাসন ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশকে বিশেষ নজরে রেখেছে।’

অভিবাসন ব্যয় বেশি হওয়ার জন্য বায়রা দায়ী নয় বলেও মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করেন আলী হায়দার চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কিছু এনজিও ও মিডিয়া অভিবাসন খরচ বেশি বলে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে বিদেশে দেশের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বায়রা’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াজুল ইসলামসহ বায়রার অন্যান্য সদস্য, প্রবাসী ও জনশক্তি বিষয়ক গবেষক, গবেষণা সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা সরকারের পাশাপশি জনশক্তি রপ্তানিকারক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধিসহ সাধারণ নাগরিকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১১

হানাদারদের রুখতে বোমা ফেলা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজে
চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনকে হারানোর এক বছর
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের অনশন স্থগিত
১৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ মুক্ত দিবস


সাভারে বিদেশি পিস্তলসহ ইউপি সদস্য আটক
রামুতে প্রজন্ম’৯৫ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
১৪ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় জয়পুরহাট
বগুড়ার ধুনট হানাদার মুক্ত দিবস ১৪ ডিসেম্বর
বিয়ে করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মিতু