php glass

ইউনিগেটওয়েটুইউর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের অর্থপাচার মামলা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তুলে আরেকটি এমএলএম কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ইউনিগেটওয়েটুইউ’র কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ মামলা (নং-১৯(০২)২০১১) করেন।

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তুলে আরেকটি এমএলএম কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ইউনিগেটওয়েটুইউ’র কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ মামলা (নং-১৯(০২)২০১১) করেন।

ইউনিপেটুইউ’র ব্যাংক একাউন্টগুলো স্থগিত করার পরপরই এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুর রহমানের উদ্যোগেই ইউনিগেটওয়েটুইউ নামে পৃথক এমএলএম কোম্পানিটি গড়ে তোলা হয়।

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী বাংলানিউজকে জানান, মামলায় ওই কোম্পানির সঙ্গে সম্পৃক্ত মুশফিকুর রহমান, মাসুদুর রহমান, ফজল আব্দুর রহমান ও আবুল মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান বাংলানিউজকে জানান, ইউনিগেটওয়ে টু ইউ’র সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় নানা কায়দা কৌশলে ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা পাচার করে। কিন্তু এসব টাকা ইউনিগেটওয়েটুইউ কোত্থেকে পেয়েছে এবং কোথায় পাচার করেছে সে সম্পর্কে আর কিছুই তিনি জানাতে পারেননি।

দুদক সূত্র জানায়, গত বছরের অক্টোবর মাসে বনানীর একটি আবাসিক হোটেলে গোপন বৈঠকে ইউনিপেটুইউ’র এমডি মাসুদুর রহমানকে চেয়ারম্যান ও মুশফিকুর রহমানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক করে ইউনিগেটওয়েটুইউ  ট্রেডিং (প্রাইভেট) লিমিটেড নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হন ফজল আব্দুর রহমান নামে অপর একজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী ব্যবসায়ী। সংস্থাটির পৃষ্ঠপোষকতায় আছেন জাতীয় পার্টির সাবেক এক সংসদ সদস্য ও আইনজীবী।

গত বছরের ১২ অক্টোবর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স পায় ইউনিগেটওয়েটুইউ, যার নম্বর- ০৪৫০২১৫। প্রতিষ্ঠানটির রেজিস্টার্ড ঠিকানা দিলকুশার সাধারণ বীমা ভবনের ৬ষ্ঠ তলা। অফিসের ঠিকানা হচ্ছে- লেক প্লাজা, রোড ৩০, বাসা ১১, অ্যাপার্টমেন্ট ৩০২, গুলশান ১।

বেসরকারি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) প্রিন্সিপাল শাখায় খোলা এর ব্যাংক হিসাবে (নম্বর-১৩৩০০০৫৬৯৯৭) শুরুতেই ১২ কোটি টাকা জমা হয়। হিসাব খোলার ফরমে পরিচয়দানকারী হিসেবে রয়েছেন সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন খান। তার ব্যক্তিগত চেম্বারকেইইউনিগেটওয়েটুইউ`র রেজিস্টার্ড ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়।

ব্যাংক হিসাব খোলার ফরমে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদুর রহমানের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া আছে কুষ্টিয়ার মিরপুর। অথচ হিসাব খোলার ফরমে সংযুক্ত তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিতে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে মতলব পৌরসভা, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর লেখা দেখা গেছে। অন্যদিকে তার আয়কর প্রত্যয়নপত্রে বর্তমান ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়েছে ঢাকার কাকরাইলের একটি হোল্ডিং। প্রতিষ্ঠান প্রধানের একাধিক স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহারের কারণটি রহস্যময় বলে মনে করেছেন দুদক কর্মকর্তারা।

দুদক সূত্রটি আরও জানায়, ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ব্যাপকহারে টাকা জমা হতে থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা স্থগিত ঘোষণা করে অনুসন্ধানে নামে। তবে অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার আগেই ইউনিগেটওয়েটুইউ ট্রেডিং (প্রাইভেট) লিমিটেড থেকে `ভিসেরেভ` নামে অপর একটি কোম্পানির নামে ১০ কোটি টাকা পাচার করা হয়। ইউনিগেটওয়েটুইউ’র অন্যতম অংশীদার ফজল আব্দুর রহমানের ভাই ফায়েজ এ রহমান হচ্ছেন ভিসেরেভ কোম্পানির চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে ভিসেরেভ কোম্পানির কোনোরকম বৈধতা না থাকলেও টাকা পাচারের ক্ষেত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ককে কাজে লাগানো হয় বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক আরও জানান, ভিসেরেভ কোম্পানির ব্যাপারে এরইমধ্যে তদন্ত চলছে, খুব শিগগির তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময় : ২১৫০ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১১

ksrm
ফকিরাপুলে যুবলীগ নেতার ক্যাসিনোতে র‌্যাবের অভিযান
বাগদান সারলেন পিয়া বিপাশা, বিয়ে আগামী বছর
২০ টাকা বেশি নেয়ায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা
পতেঙ্গায় পাটের গুদামে আগুন
হাসপাতালের ওয়ার্ডে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সরবরাহ নয়


সপ্তাহে ২ দিন বসবে বালিয়ামারী সীমান্ত হাট 
ছুরিকাঘাতে নিহত চালকের চিকিৎসায় ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট
বিশ্ব বাঁশ সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে আগরতলায় আলোচনা সভা
এসআইকে মারপিট করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
জাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে উপাচার্য