php glass

রাজধানীর নদীগুলোর সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ শুরু ২০ মার্চ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রাজধানীর নদীগুলোর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ও দখলের হাত থেকে নদীরক্ষা করতে আগামী ২০ মার্চ নদীরতীরে সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে টঙ্গীর তুরাগ নদী থেকে একাজ শুরু হবে।

ঢাকা: রাজধানীর নদীগুলোর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ও দখলের হাত থেকে নদীরক্ষা করতে আগামী ২০ মার্চ নদীরতীরে সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে।

প্রথম পর্যায়ে টঙ্গীর তুরাগ নদী থেকে একাজ শুরু হবে।

বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ ও দেশের গুরুত্বপুর্ণ নদীরসমূহের নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা শেষে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

নৌ-মন্ত্রী বলেন, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে নদীগুলোর সীমানা পিলার স্থাপন কাজের জন্য ২৫ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৭০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার নদীগুলোর জন্য ১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৩৫ হাজার ৬শ, নারায়ণগঞ্জের নদীগুলোর জন্য ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার, মুন্সীগজ্ঞের নদীগুলোর জন্য এক কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার এবং গাজীপুরের নদীগুলোর জন্য এক কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, গাজীপুরের তুরাগ নদী দিয়ে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রথম কাজ শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্য নদীগুলোর কাজ শুরু হবে।

রাজধানীর খাল উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত আছে জানিয়ে শাজাহান খান বলেন, কল্যাণপুরের ‘ক’ খালের মুখে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে কিছু জমি অধিগ্রহণ করা হবে। খাল ও নদী উদ্ধারের পর আবারও দখল ঠেকাতে দখলদারের বিরুদ্ধে ভাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হবে। করা হবে জেল-জরিমানাও।

নদী ও খালের দখল ঠেকাতে গণসচেতনতা কার্যক্রম চালানো হবে জানিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য সানজিদা খানমের নেতৃত্বে একটি দল গণসচেতনতা বিষয়ে কাজ করছে। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজধানী ও এর আশপাশের ১৬টি স্পটে গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারকাজ শুরু করবে।

মন্ত্রী আরও জানান, নদী ও খালের তীর ধরে অবৈধ দখলের মাধ্যমে যে সমস্ত বহুতল ভবন রয়েছে তা চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে।
এ সব ভবন ভেঙ্গে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন বলেও এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


এছাড়া দেশের যেকোন নদীতে বাশ দিয়ে বাধা সৃষ্টি করে মাছ ধরা সর্ম্পূণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে নদীতে থাকা সকল বাশের বাধ সরাতে হবে।

একইসঙ্গে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ অন্যান্য নদী যাতে দখল না হয় সেজন্য কাঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এজন্য টার্স্কফোর্সের ১২ তম বৈঠক চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে নৌ-মন্ত্রী বলেন, সরকারের সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগ একই তালে কাজ করতে পারে না। এজন্য নদী দখলমুক্ত কার্যক্রম চালাতে কিছুটা দেরি হয়।

টার্স্কফোর্সের সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী, আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, সানজিদা খানম এমপি, নৌ সচিব আব্দুল মান্নান হাওলাদার, বিআডব্লিউটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৫ঘণ্টা, ফ্রেব্রুয়ারি ০৩, ২০১১

ksrm
জবিতে ভর্তি আবেদনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
কক্সবাজারে ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৪ জনকে কোপালো সন্ত্রাসীরা
চ্যানেলমুখে নাব্য সংকট, রাতে চলছে মাত্র ৪ ফেরি
ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ভাঙচুর-মারধরের অভিযোগে মামলা
মাহিন্দ্রার পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, চালক নিহত


চার্জার মেরামতকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোচালকের মৃত্যু
টেকনাফে ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতিকে গুলি করে হত্যা
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নে প্রস্তাব
রপ্তানি বেড়েছে চামড়াজাত পণ্যের, কমেছে চামড়ার
দেশ নিয়ে চাওয়া পাওয়া