php glass

অবশেষে পুলিশের জন্য হেলিকপ্টার দু’টি কেনা হচ্ছে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছয় বছর পর বাংলাদেশ পুলিশের জন্য অবশেষে হেলিকপ্টার দু’টি কেনা হচ্ছে। ২০১২ সালের জুন মাসের মধ্যে হেলিকপ্টার দু’টি পুলিশ বাহিনীতে যুক্ত হবে।

ঢাকা: সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছয় বছর পর বাংলাদেশ পুলিশের জন্য অবশেষে হেলিকপ্টার দু’টি কেনা হচ্ছে। ২০১২ সালের জুন মাসের মধ্যে হেলিকপ্টার দু’টি পুলিশ বাহিনীতে যুক্ত হবে।

অথচ ২০০৪ সালের শেষ দিকেই হেলিকপ্টারগুলো কেনার সিদ্ধান্ত এবং সে অনুযায়ী ২০০৫-’০৬ অর্থবছরে অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হলেও অজানা কারণে তা আর কেনা হয়নি।

তবে হেলিকপ্টার দু’টি কেনার জন্য গত ২৭ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এর প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয় থেকে এ ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

এর আগে গত অর্থবছরে দু’টি হেলিকপ্টারের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় এখন বাড়তি ১০ কোটি টাকা গুনতে হচ্ছে।

রোববার পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার (ইঅ্যান্ডটি) জাকির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, প্রথমবারের মতো পুলিশের পক্ষ থেকে এ হেলিকপ্টারগুলো কেনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এর ফলে পুলিশের কাজে আরও গতিশীলতা বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হেলিকপ্টার দু’টি কেনা হবে র‌্যাবের নামে। এগুলোর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে র‌্যাবের এয়ার উইং। ২০০৪ সালের শেষ দিকে এ হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় বলে র‌্যাবের একটি সূত্র জানায়।

হেলিকপ্টার দু’টির গায়ের একপাশে পুলিশ ও আরেক পাশে র‌্যাব লেখা থাকবে।

তবে র‌্যাবের নামে কেনা হলেও জরুরি উদ্ধার অভিযান ও নিরাপত্তার কাজে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন।

সূত্র মতে, হেলিকপ্টার দু’টি হালকা ধরনের সিঙ্গেল ইঞ্জিনবিশিষ্ট এবং প্রতিটিতে যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭ থেকে ৮ জন হবে।

হেলিকপ্টারের যন্ত্রাংশ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নির্ধারণ করতে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, র‌্যাবের এয়ার উইং, বাংলাদেশ বিমান, সিভিল অ্যাভিয়েশন ও পুলিশ সদর দপ্তরের একজন অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শকের সমন্বয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হেলিকপ্টার দু’টি অবশ্যই সম্পূর্ণ নতুন মডেলের হতে হবে এবং এগুলোর নির্মাণ সাল ২০১১ এর আগে হতে পারবে না।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দরপত্র বিক্রি এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২ টায় দরপত্র বাক্স বন্ধ করা হবে। একই দিন দুপুর সাড়ে ১২ টায় দরপত্র উন্মুক্ত করা হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের ইক্যুপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট (ই অ্যান্ড টি) বিভাগের সহকারী মহা পুলিশ পরিদর্শক (এআইজি) এম মাহবুব আলমের সদর দপ্তরের কক্ষে দরপত্রের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনিই পুরো বিষয়টি সমন্বয় করবেন।

প্রতিটি দরপত্রের মূল্য ২ হাজার টাকা এবং দরপত্রে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে জামানত হিসেবে ১ কোটি টাকা জমা দিতে হবে।

এছাড়া দরপত্রে কার্যাদেশ পাওয়ার ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে হেলিকপ্টারগুলো পুলিশ বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০,২০১১

ksrm
বঙ্গবন্ধুর জীবনপঞ্জিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দলিল
আটপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ
‘বাংলাদেশ ব্যাংক স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে’
কোটা আন্দোলনের ৩ নেতার ৫৭ ধারার মামলার তদন্ত স্থগিত
৭ দিনের সফরে দেশের বাইরে থাকবেন ইসি সচিবও


আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের নামে মামলা
‘শুল্কমুক্ত গাড়ি মুহিতের সুনামের সঙ্গে মানানসই হবে না’
পাবনায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত পলাতক
সেলিমের নতুন সিনেমা ‘পাপ-পুণ্য’, আছেন চঞ্চল ও সিয়াম
রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরাতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র