php glass

সরকারের পদত্যাগ দাবি ও আড়িয়াল বিলে আন্দোলনের ঘোষণা খালেদার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

ভোট কারচুপি আর দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পতদ্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে আড়িয়াল বিলে ইস্যুতে জনগণের পক্ষে বিএনপিই আন্দোলন করবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ঢাকা: ভোট কারচুপি আর দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পতদ্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে আড়িয়াল বিলে ইস্যুতে জনগণের পক্ষে বিএনপিই আন্দোলন করবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নেতারা দেখা করতে গেলে তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করে আড়িয়াল বিল ইস্যুতে আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘এ সরকার  দেশ চালাতে ব্যর্থ। তার জনগণের কথা ভাবে না। সীমান্তে ফেলানী হত্যার প্রতিবাদ করার ক্ষমতাও এ সরকারের নেই। তাই ব্যর্থতার দায় নিয়ে দুর্বল ও নতজানু সরকারের পদত্যাগ করা উচিৎ।’

তিনি বলেন, ‘তিউনিশিয়ার রাষ্ট্রপতি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। মিশরের রাষ্ট্রপতিও যায় যায়। এ সরকারের ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’

বি. বাড়ীয়া-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে সরকারি দলের ভোট কারচুপি ও প্রশাসনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কখনো সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি, হবেও না। নির্বাচন কমিশনররা তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন, তাই তাদের পদত্যাগ চাই।’

আড়িয়াল বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশের  এতো সমস্যা থাকতে সরকার নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ওই এলাকার সকল মানুষ এর বিরোধীতা করছে।’
   
তিনি বলেন, ‘আমাদের যে বিমানন্দর আছে তাই আমরা পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছি না। এ বিমানবন্দর শুধু নাম ও হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে লুটপাটের জন্য করা হচ্ছে। অথচ এর প্রতিবাদ করায় ওই এলাকার মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।’

বিরোধী দলীয় নেত্রী বলেন, ‘আমি বলতে চাই-আমাদের নতুন বিমানবন্দরের দরকার নেই। এর কাজ এখনই বন্ধ করতে হবে। এলাকাবাসীর সঙ্গে আমি একাত্মতা ঘোষণা করছি। এখন থেকে এই আন্দোলন জনগণের পক্ষে আমরা করবো।’

তিনি বলেন, ‘যা দরকার নেই তার আমরা বিরোধীতা করবো। আর যেসব দরকার তা করলে আমরা অবশ্যই সরকারকে সহযোগিতা করবো।’

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সুপ্রীম কোর্ট বার সমিতি সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি সভাপতি অ্যাডভোকেট ছানাউল্লাহ মিয়া, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখসহ সারাদেশের আইনজীবী ফোরাম নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখী হওয়ার আগে তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। এ সময় সুপ্রীম কোর্টসহ সকল পর্যায়ের আইনজীবী সমিতি নির্বাচন নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে বৈঠক সূত্র।

বাংলাদেশ সময়: ২০১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৯, ২০১১

ksrm
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঠেকাতে উস্কানি দিচ্ছে কিছু এনজিও
রুমায় অপহরণের চারদিন পর জিপ চালক মুক্ত
মঞ্চনাটকেই যাত্রা শুরু আমির-কন্যার
ছয় ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা
উজানের ঢলে ফুলছে পদ্মা, বিপদসীমার কাছাকাছি


মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
দীঘিনালায় বাল্যবিয়ে থামালেন ভ্রাম্যমাণ আদালত
শিল্পকলা প্রাঙ্গণে বাউলের কণ্ঠে বঙ্গবন্ধু
সিলেটে দারাজের ‘ফ্যানমিট’
ন্যাপ সভাপতি মোজাফফর আহমদ আর নেই