php glass

নয়াপল্টনে বাড়ি থেকে স্ত্রীসহ সাংবাদিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রাজধানীর নয়াপল্টন মসজিদ-গলির একটি বাসা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রবীণ এক সাংবাদিক ও তার  স্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে খবর পেয়ে পল্টন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

ঢাকা : রাজধানীর নয়াপল্টন মসজিদ-গলির একটি বাসা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রবীণ এক সাংবাদিক ও তার  স্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে খবর পেয়ে পল্টন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাসির বাংলানিউজকে জানান, স্থানীয় সূত্র থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় ফরহাদ খান (৬০) ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুনের (৫০) মৃতদেহ পাওয়া গেছে। ফরহাদ খান একটি জাতীয় দৈনিকে সিনিয়র সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  

দৈনিক জনতার প্রতিবেদক উৎপল দাস বাংলানিউজকে জানান, ফরহাদ খান সিনিয়র সাব-এডিটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত অফিসে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট রিয়াজ রায়হান জানান, ফরহাদ খানের ছোট ভাই আ. ছামাদ খান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ফরহাদ খানের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। এ কারণে বড় ভাইয়ের খোঁজ নিতে তিনি বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে নয়াপল্টন মসজিদ গলির বাসায় গিয়ে প্রধান ফটক বাইরের দিক থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। তিনি তার খোঁজ জানতে ছুটে যান দৈনিক জনতা অফিসে। কিন্তু সেখানেও ফরহাদ খানের খবর না পেয়ে ছামাদ সরাসরি পল্টন থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজার তালা ভেঙ্গে দু’জনের গলাকাটা লাশ দেখতে পায়।

মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল মোমেন বাংলানিউজকে জানান, ৭৭ নম্বর হোল্ডিং এর তিন তলা ভবনের দোতলায় ফরহাদ খান তার স্ত্রী রহিমা খাতুনকে নিয়ে বসবাস করতেন। কক্ষটির ভিতরে ঢুকে দেখা যায় খাটের উপর পশ্চিম দিকে শোয়া অবস্থায় রহিমা খাতুনের জবাই করা লাশ ও মেঝেতে একই খাটে ঠেস দিয়ে বসা অবস্থায় গলাকাটা রয়েছে ফরহাদ খানের মৃতদেহ। তাদের দুজনেরই হাত বাধা ছিলো।

সহকারী পুলিশ কমিশনার তাৎক্ষনিক ভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত করতে না পারলেও ডাকাতিজনিত ঘটনায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। তিনি বলেন, এরইমধ্যে মতিঝিল জোনের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষ হলে এ হত্যাকাণ্ডের মূল কারণটি বলা যাবে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরহাদ খানের ভাগ্নি মলিনা আক্তার বাংলানিউজকে জানান, নয়াপল্টনের বাসাটিতে ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে থাকতেন ফরহাদ খান। এলাকায় সবার সঙ্গেই তার খুবই ভাল সম্পর্ক ছিলো। কারো সঙ্গে কোনোদিন তর্ক-বিতর্ক বাধার মতো নজিরও নেই।

মলিনা আক্তার বাংলানিউজকে আরও জানান, ফরহাদ খানের স্ত্রী রহিমা খাতুন জাতীয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেত্রী ছিলেন। তাদের মেয়ে আইরিন খান ছিলেন জাতীয় পার্টির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা।  ৬ বছর ধরে আইরিন খান তার স্বামীর সঙ্গে প্রবাসে বসবাস করছেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০১৫ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০১১

ksrm
ভিসি ও সমাবর্তনে আটকা চাকসু-জকসু, শাকসু’র খবর নেই
রামগতিতে ৩০ লাখ টাকার কারেন্টজালে অগ্নিসংযোগ
নতুন বছরেই কৃষিপণ্য পরিবহনে বিশেষ ৪ ট্রেন 
পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘অন্তেহরি জলের গ্রাম’
হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল


ফ্রিতে ফিওরেন্তিনায় ফ্রাঙ্ক রিবেরি
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ রোহিঙ্গা মাদককারবারি নিহত
ভর্তি জালিয়াতি: তৎপর পুলিশ-ঢাবি, থাকবে রাডার স্ক্যানিং
সোনালি আঁশেও কৃষকের ‘মুখভার’
কুমারখালীতে ভুয়া কাজির দণ্ড