বৈদ্যের বাজার ট্র্যাজেডি ও কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ৬ষ্ঠ বার্ষিকী ২৭ জানুয়ারি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আজ ২৭ জানুয়ারি। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড তথা বৈদ্যের বাজার ট্র্যাজেডির ৬ষ্ঠ বার্ষিকী। ২০০৫ সালের এইদিনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঈদ পরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার সময় গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া।

হবিগঞ্জ: আজ ২৭ জানুয়ারি। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড তথা বৈদ্যের বাজার ট্র্যাজেডির ৬ষ্ঠ বার্ষিকী।

২০০৫ সালের এইদিনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঈদ পরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার সময় গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া।

এই নির্মম হামলায় তিনি গুরুতর আহত হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে রক্তরণজনিত কারণে মারা যান। এই হামলায় আরও নিহত হন তাঁর ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী। মারাত্মকভাবে আহত হন হবিগঞ্জ-লাখাই আসনের বর্তমান এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরসহ অর্ধশতাধিক লোক।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বাদি হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর রহস্যজনক কারণে তখনকার পুলিশ সুপার আবু মুসা মো. ফখরুল ইসলাম এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডি’র তখনকার সিনিয়র এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমানকে।

মুন্সি আতিক ২০০৫ সালের ১০ মার্চ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। অভিযুক্তরা হলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি ও গবেষণা পরিষদের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি একেএম আব্দুল কাইয়ূম, যুবদল নেতা জয়নাল আবেদীন জালাল, জমির আলী, তাজুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন মুমিন, সাহেদ আলী, সেলিম আহমেদ, আয়াত আলী, মুহিবুর রহমান ও কাজল মিয়া।
 
চার্জশীট দাখিলের দিনই আদালতে নারাজী পিটিশন দাখিল করেন মামলার বাদি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান। আদালত এ আবেদন খারিজ করে দেন।

এরপর একই বছরের ১০ মে মামলার শুনানির তারিখ ধার্য হয়। কিন্তু মামলার বাদির নারাজীর পিটিশন বাতিল হলে তারা হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন। হাইকোর্ট এই আবেদনের প্রেেিত মামলাটি সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে।

সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল মুন্সি আতিকের দাখিলকৃত চার্জশীট থেকেই বিচার কাজ শুরু করতে চাইলে মামলার বাদি বর্ধিত ও অধিকতর তদন্তের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক বিপ্লব গোস্বামী সেই আবেদনও খারিজ করে দেন। আবেদনটি খারিজ হলে মামলার বাদি হাইকোর্টে রিভিশন লিভ টু আপিল দায়ের করেন।  

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হাইকোর্ট দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ মামলাটির অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। মুন্সি আতিক অবসরে চলে যাওয়ায় সিআইডি’র এএসপি মো. রফিকুল ইসলামকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

বর্ধিত তদন্তকালে মামলাটি নতুন মোড় নেয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় জঙ্গী মিজান ও মুফতি হান্নানসহ জঙ্গী চক্রের। মুন্সি আতিকের দেওয়া অভিযুক্ত ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে তারা জামিনে মুক্ত হন। কিন্তু আজ পর্যন্ত মামলাটির চার্জশীট না দেয়ায় বিচার কাজ শুরু হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, মামলার তদন্তকাজ দ্রুত গতিতে এগুচ্ছে। শীঘ্রই চার্জশীট দেওয়া হবে।

হবিগঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আকবর হোসেন জিতু বাংলানিউজকে বলেন, মামলাটি তদন্তের শেষ পর্যায়ে আছে বলে জেনেছি। চার্জশীট দেওয়া হলে আমি আন্তরিকভাবে মামলাটি চালাব।

বাংলাদেশ সময়: ০৯২৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৭, ২০১১

রাজউক আর দুর্নীতি এখন সমার্থক: ইফতেখারুজ্জামান
ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করুন: ইসিকে তাবিথ
সেই নারীর খোঁজে হাসপাতালে স্বামী
প্রচারণার জোয়ার ভোটের বাক্সেও দেখতে চান মেনন
আমার কোনো গ্রুপ নেই, চবি ছাত্রলীগ নিয়ে নওফেল


দারুণ দুর্দশায় মাইলি সাইরাস
মোদী ঢাকায় আসছেন ১৭ মার্চ
ঢাকার ভোট পর্যবেক্ষণে থাকছেন ৬৭ বিদেশি পর্যবেক্ষক
করোনাভাইরাস আতঙ্ক প্রভাব ফেলেছে চীনের ক্রীড়াঙ্গনেও
জেরুজালেম বিক্রির জন্য নয়: আব্বাস