শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে ২৪ উপ-কমিটি গঠন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মহাজোট সরকারের প্রণীত শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২৪টি উপ-কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা: মহাজোট সরকারের প্রণীত শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২৪টি উপ-কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

এদিকে শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের খরচের জন্য সরকারের কাছে বিশেষ বরাদ্দেরও আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে অনেক অর্থ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আমাদের যেন সরকার বিশেষ থোক বরাদ্দ দেয় সে অনুরোধ জানানো হবে।’

উপ-কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এদের মধ্যে ২৩টি কমিটি আগামী দুই মাসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।’

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব থেকে শুরু করে অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম-সচিব ও  উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা এসব কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন।

শিক্ষা সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. জাফর ইকবালকে উপ-কমিটিগুলোর কাজের অগ্রগতির দেখভাল ও তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অন্য কমিটিগুলোর চেয়ে ‘শিক্ষা আইন প্রনয়ণ কমিটি’কে এক মাস সময় বেশি দেওয়া হয়েছে। তারা সময় পাবে তিন মাস। কারণ তাদের কাজটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘এ আইন প্রণয়নে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী কিছু কাজ রয়েছে। তাই শিক্ষা আইন কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে ৩ মাস সময় দেয়া হলো।’

উপ-কমিটিগুলোর কাজের পরিধি ও ধারা সম্পর্কেও সাংবাদিকদের অবহিত করেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষানীতির মতো একটি বড় ব্যাপার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও কর্মকৌশল নির্ধারণেই মূলত উপ-কমিটিগুলো কাজ করবে।’

শিক্ষা আইন উপ-কমিটি ছাড়াও নতুন কমিটিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: শিক্ষা কমিশন, পাঠ্যপুস্তক আধুনিকীকরণ, নিরতা দূরীকরণ, শিক্ষক নিয়োগে পৃথক কমিশন গঠন, মাধ্যমিক শিক্ষায় সমস্যা দূরীকরণ, প্রাথমিক শিক্ষা সমস্যা দূরীকরণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা আধুনিকায়ন, উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়ন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়ন বিষয়ক উপকমিটি প্রভৃতি।

শিক্ষানীতি প্রণয়ন ও এর বাস্তবায়ন মহাজোট সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার-- এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আশা করা যাচ্ছে উপ-কমিটিগুলো দ্রততার সাথে কাজ করবে।’

শিক নিয়োগের ব্যাপারে পৃথক কমিশন গঠন করারও চিন্তাভাবনা সরকার করছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্ম কমিশনের মতো করে পৃথক একটি কমিশন গঠন করে শিক্ষক নিয়োগ করা যায় কীনা তাও ভেবে দেখা হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণে তারা প্রস্তুতি নিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘মেধাবীদের শিকতার মতো মহান পেশায় আনতে উৎসাহিত করা হবে। সেইসঙ্গে এই পেশাকে সম্মানজনক পেশায় পরিণত করতে বেতন কাঠামো পরিবর্তনের পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা ও পরিচালনা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করতে প্রচলিত আইন অনুযায়ীই অনুমতি নিতে হবে।’

বিধিমালা না মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলে সরকার ওইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন শিক্ষামন্ত্রী।   

স্কুলগামী শিক্ষার্থীর হার বাড়ানো এবং ঝড়ে পড়া ঠেকাতে সরকার বিভিন্নভাবে ‘মিড ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) কার্যক্রম চালু রেখেছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।  

বুধবার বিকেলের সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৬, ২০১১

রেলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে বদলি
পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ারকারে আগুন
ঢাকা-সিলেট ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
৯ ঘণ্টা পর কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
ত্রিপুরা-আসামে এখনই সিএএ চালু না করার নির্দেশ আদালতের


শেষ রক্ষা হলো না অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের
কমছে সবজির দাম
স্বস্তিতে সবজি, চড়া মাছ-মসলা-চালের বাজার
শীতেও মিলছে ইলিশ, ফিরেছে ২০ বছর আগের হারানো মৌসুম
ছোটপর্দায় আজকের খেলা