বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে না:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশে মহাজোট সরকারের বিগত দুই বছরে কোনো বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়নি বলে দাবি করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

ঢাকা: বাংলাদেশে মহাজোট সরকারের বিগত দুই বছরে কোনো বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়নি বলে দাবি করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৭ম বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান।

এসময় তিনি সোমবার প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আত্মরক্ষার প্রয়োজন আছে। সন্ত্রাসী ধরতে গেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আঘাত এলে তারা বসে থাকবে কেন। আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী আত্মরক্ষায় গুলি ছুড়লে তাতে সন্ত্রাসীরা মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক।’

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন - আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আঘাত এলে বা মারা গেলে তখন মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি করে। তখন তারা তো এনিয়ে কিছু বলে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  পাশে বসা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেন,আইন-শৃংখলা বাহিনীর মতো সাধারণ মানুষেরও আত্মরক্ষার প্রয়োজন আছে। কেউ যদি কুংফু-কারাতে জানে তখন সে কারাতের মাধ্যমেই নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করবে।

তাই সবাইকে আত্মরক্ষার কৌশল শেখার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের কোন ঘটনা গত দুই বছরে বাংলাদেশে ঘটেনি। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এলে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

তিনি জানান, গত দুই বছরে র‌্যাব ও পুলিশ সহ আইন-শংখলা বাহিনীর অনেক কর্মকর্তাকেই জবাবদিহিতার আওতায় এনে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ জবাবদিহিতার উর্ধ্বে নন।

ভিন্ন এক প্রশের জবাবে তিনি বলেন, পৌর নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে  এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো ছিলো।
 
বৈঠকের শুরুতে নরসিংদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

টেন্ডার সন্ত্রাস রোধে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরকে ইলেক্ট্রনিক প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম (ইপিএস) অনুসরণ করার সুপারিশ করা হয়। এ প্রসঙ্গে সাহার খাতুন বলেন, ইতোমধ্যেই চারটি সরকারি দপ্তরকে ইপিএস সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে।

টেন্ডার সন্ত্রাস প্রতিরোধ সম্পর্কে তিনি বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জানিয়ে রাখলে তারা উক্ত স্থানে উপস্থিত থেকে ব্যবস্থা নিবে।

বৈঠকে অন্যন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, স্বারষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, ডিজি র‌্যাব, বিজিবি’র মহাপরিচালকসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

সোমবার প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়- বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। এক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করার  নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থাকলে গত দুই বছরে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নতুন নতুন ঘটনা ঘটেছে এবং জড়িতদের কাউকেই বিচারের আওতায় আনা হয়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৬, ২০১১

দুই মেয়র প্রার্থীসহ কোকোর কবর জিয়ারত করলেন ফখরুল
তীব্র শীত পঞ্চগড়ে, বাড়ছে শিশু-বৃদ্ধ রোগী
পাল্টে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই 
রেলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে বদলি
পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ারকারে আগুন


ঢাকা-সিলেট ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
৯ ঘণ্টা পর কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
ত্রিপুরা-আসামে এখনই সিএএ চালু না করার নির্দেশ আদালতের
শেষ রক্ষা হলো না অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের
কমছে সবজির দাম