php glass

ব্যাংক কার্ড জালিয়াতকে ধরতে পেরেছে পুলিশ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

ব্যাংক থেকে আপনাকে দেওয়া ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডটি আপনার সঙ্গেই আছে। জরুরি প্রয়োজনে ওই কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা যায়। কিন্তু টাকা তুলতে গিয়ে যখন জানতে পারবেন অ্যাকাউন্টে টাকা নেই তখন তো মাথা খারাপ হওয়ারই যোগাড়।

ঢাকা: ব্যাংক থেকে আপনাকে দেওয়া ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডটি আপনার সঙ্গেই আছে। জরুরি প্রয়োজনে ওই কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা যায়। কিন্তু টাকা তুলতে গিয়ে যখন জানতে পারবেন অ্যাকাউন্টে টাকা নেই তখন তো মাথা খারাপ হওয়ারই যোগাড়।

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার নূরে আলম সিদ্দিকী বাবু নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) একটি দল। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকের ১৫ টি ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড। উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ১৫ টি সিল।

আর এ সূত্র ধরেই পুলিশ জানতে পেরেছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি হয় কিভাবে। জানতে পারে কার্ড জালিয়াতি সম্পর্কে। যা গোয়েন্দা পুলিশের কাছেও ছিলো অজানা। গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তাও সে কথা স্বীকার করেছেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমরা এ ধরনের জালিয়াতি সম্পর্কে তেমন অভিজ্ঞ নই। এটি একটি আইটি নির্ভর জালিয়াতি। এদের নেটওয়ার্ক খুবই শক্তিশালী।’

এ ধরনের ঠিক কতটি চক্র আছে তারও ধারণা নেই পুলিশের কাছে।

পুলিশের হাতে আটক হওয়া জালিয়াত চক্রের হোতা বাবুর বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জের ঘুঘুয়া এলাকার।

যেভাবে হয় জালিয়াতি

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এই অভিনব জালিয়াতির বিষয়ে বাংলানিউজের কাছে আংশিক বর্ণনা দেন নূরে আলম বাবু।

বাবু জানান, দুইভাবে এ জালিয়াতি করা হয়। প্রথমটি হচ্ছে, কার্ডধারী কোন ব্যক্তির সঙ্গে  বন্ধুত্ব করে তার খুব কাছে চলে যাওয়া হয়। পরে কৌশলে কার্ড নম্বরটি জেনে নেওয়া এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যে স্বাক্ষর রয়েছে তা জাল করতে শেখা।

এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে কার্ডটি হারানো গেছে মর্মে একটি আবেদন করতে হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন আরেকটি কার্ড ব্যাংক ইস্যু করলে তা দিয়ে প্রকৃত অ্যাকাউন্টধারীর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরিয়ে ফেলা হয়।

দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে, কম্পিউটার এবং একটি ছোট যন্ত্রের ব্যবহার করে করা যায় এ জালিয়াতি। যন্ত্রটির নাম জানাতে পারেননি বাবু। তিনি জানান, কৌশলে কারও কার্ডের পিন নাম্বার যোগাড় করে যন্ত্রের সাহায্যে অনুরূপ আরেকটি কার্ড বানিয়ে নেওয়া হয়।

তবে এটি কিভাবে সম্ভব তা বাবুর মুখ থেকে বের করা যায়নি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদেও এবিষয়ে তিনি তথ্য দেয়নি বলে জানান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

ব্যাংকের কার্ড জালিয়াতি বাবু একাই করেন বলে জানান। তবে পুলিশের ধারণা বড় চক্র জড়িত রয়েছে এ কাজে। এদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালানে হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জালিয়াতি

শুধু ব্যাংকের কার্ড নয় এ চক্রটি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও জালিয়াতি করে থাকে। এজন্য তারা প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মোটা অংকের অর্থ উত্তোলন করে থাকে।

কখনো ঠিকাদার, কখনো সাপ্লায়ারসহ নানা পরিচয়ে বিল তৈরি করে তাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসাব কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে ক্যাশ শাখায় জমা দেওয়া হয়। পরে তিনি বিলের টাকা তুলে লাপাত্তা হয়ে যান।

বাংলাদেশ সময় ১৫১৫ ঘন্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১০

গুচ্ছ কবিতা ।। সৌমনা দাশগুপ্ত
ধামরাইয়ে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সরকার আবার আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে: রিজভী
জনসনের জয়ে ট্রাম্পের নজর বাণিজ্যে!
একাত্তরে চট্টগ্রামজুড়ে গণহত্যা


ইয়োগা অনুশীলনের আগের সতর্কতা
চলে গেলেন অভিনেতা-চিত্রনাট্যকার গোলাপুডি মারুতি রাও
পাটকল শ্রমিকের জানাজা সম্পন্ন, উত্তপ্ত খুলনার শিল্পাঞ্চল
আসামির সেলফিকাণ্ড, ঘটনা তদন্তে ডিবি
৪০ বছরের অভিজ্ঞতায় এত ভয়াবহ বার্ন দেখিনি: সামন্ত লাল