php glass

২০১০: বছরের আলোচিত বিষয় ‘ইভটিজিং’

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

২০১০ সালের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইভটিজিং ছিল অন্যতম। বছরের বেশ কিছু সময় জুড়ে এটি দেশের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে ছিল। একপর্যায়ে ইভটিজিং প্রতিরোধে সরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয় বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত।

ঢাকা: ২০১০ সালের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইভটিজিং ছিল অন্যতম। বছরের বেশ কিছু সময় জুড়ে এটি দেশের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে ছিল। একপর্যায়ে ইভটিজিং প্রতিরোধে সরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয় বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত। গড়ে ওঠে সামাজিক আন্দোলনও। এতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। কমে যায় ইভটিজারদের উৎপাত।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় বছরের প্রায় প্রতিদিনই বখাটেদের উৎপাতের শিকার হয়ে মেয়েরা। দেশজুড়ে স্কুল, কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চাকরিজীবী নারী এমনকি বয়স্করাও শিকার হয়েছেন ইভটিজিংয়ের।

এসময় ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে অনেক মেয়েই বেছে নেয়ে আত্মহত্যার পথ। বছরের শুরুতেই ১৯ জানুয়ারি বখাটে যুবক মুরাদের উৎপাতে আত্মহত্যা করে শ্যামলীর আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী নাফফিয়া আপন পিংকী।

এর ক’দিন পরেই বখাটেদের উৎপাতে আত্মহত্যা করে রামপুরার দণি বনশ্রী মডেল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ইলোরা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ী মামুন হাওলাদারকে পিটিয়ে হত্যা করে বখাটেরা।
একটি পত্রিকার জরিপে, গত ৩ বছরে ইভটিজিং-এর কারণে প্রাণ দিয়েছে ৩২ জন। এর মধ্যে ২০০৮ সালে নয় জন, ২০০৯ সালে আট জন এবং ২০১০ সালে ১৫ জন। এরমধ্যে শুরু জানুয়ারি মাসেই ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়েছে ১১ কিশোরী এবং আত্মহত্যা করেছে ৩ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে শিকার হয়েছে ৭ জন ও আত্মহত্যা করেছে ১ জন। মার্চ মাসে এ সংখ্যা ১১ জন এবং মারা গেছে ৩ জন। এপ্রিলে আত্মহত্যা করেছে ৪ কিশোরী।

এখানেই শেষ নয়। গত ২৬ অক্টোবর ফরিদপুরের মধুখালীতে মেয়ের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে বখাটের হাতে নির্মমভাবে খুন হন চাঁপারানী ভৌমিক (৪৮) নামের এক মা। এর আগে ১২ অক্টোবর দুপুরে বখাটে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়-মোটর সাইকেল চাপা দিয়ে মেরে ফেলা হয় নাটোরের কলেজ শিক্ষক মিজানুর রহমান।

তবে সামাজিক এ ব্যাধি প্রতিরোধে তৎপর ছিল সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভ্রাম্যমাণ আদালতও ইভটিজিং প্রতিরোধে কাজ করে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ইভটিজিং প্রতিরোধে গ্রহণ করা হয় নানা উদ্যোগ।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও ইভটিজিং প্রতিরোধে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুলিশের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় শিক্ষার্থীদের করণীয় বিষয়ে সচেতনতা।


এদিকে বখাটেদের শাস্তিও হয়েছে দেশের নানা স্থানে। কোথাও ইভটিজারকে কান ধরে উঠ-বস করানো হয়েছে, কোথাও গলায় জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হয়েছে পুরো শহর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের শাস্তি দেওয়াটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। যেখানেই কোনো নারী উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছে, সেখানেই পৌঁছে গেছে আদালত। কারাদণ্ডসহ জরিমানাও করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ঘটনায়। ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন একছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয় ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষককে।

বছর শেষ হয়ে গেলেও শেষ হয়নি ইভটিজিং। বখাটেদের প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধই বেশি কাজ দিতে পারে বলে মনে করেন সূধীজনেরা।


বাংলাদেশ সময়: ১৩০৫ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩১, ২০১০

৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা
পঞ্চম জাতীয় যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী সম্মিলন অনুষ্ঠিত
৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের টিআরএফ সেমিনার
৭ ডিসেম্বর নালিতাবাড়ী মুক্ত দিবস


হোয়াটস অ্যাপ আইডি হারাচ্ছেন কাশ্মীরের ব্যবহারকারী
কজনা’র সভাপতি অলোক বসু-সম্পাদক অনিমেষ কর
জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন শনিবার
আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের হট্টগোল, টেলিপ্যাবের নিন্দা
বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম