php glass

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা: মেয়েরা ফেল করেছে বেশি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় এবার ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা বেশি ফেল করেছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে  ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮২৫ জন।

ঢাকা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় এবার ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা বেশি ফেল করেছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে  ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮২৫ জন। ফেল করেছে  ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৯ জন ছাত্রী। মেয়েদের পাসের হার ৭০ দশমিক ৬৮ ভাগ। অপর দিকে ফেল করেছে ২৯.৩২ ভাগ।

এদিকে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিলো ৬ লাখ ৬২ হাজার ৫৯৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ১ হাজার ২২২ জন। ফেল করেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৭৩ জন। পাস করেছে ৭৫.৬৫ ভাগ। অন্যদিকে ফেল করেছে ২৪ দশমিক ৩৫ ভাগ।

অকৃতকার্য ছাত্রীদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়ায় গ্রামে-গঞ্জে অনেকেই পরীক্ষা সম্পর্কে বুঝতে পারেনি। অনেকে আবার পরীক্ষার মাঝপথে ছেড়ে দিয়েছে।
গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ে বেশী সংখ্যক পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় তার প্রভাব পরেছে অকৃতকার্য হওয়ার মোট সংখ্যায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তবে একে ফল বিপর্যয় মানতে রাজী নয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন এবার প্রথমবার, দ্বিতীয় বার দেখে বোঝা যাবে বিষয়টি আসলে কি হয়েছে।

এ বছর সবচেয়ে পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে সিলেট বোডের্, যার শতকরা ৩৮.০৩ ভাগ । সিলেট বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৬৬৭২৯ জন, এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪১হাজার ৩৫১ জন। উত্তীর্ণ হতে পারেনি ২৫হাজার ৩৭৮ জন শিক্ষার্থী । এ বোর্ডের ২৯হাজার ৭৭৮ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ১০হাজার ৪০১ জন যা শতকরা ৩৪.৯৩ ভাগ আর ৩৬৯৫১ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ১৪হাজার ৯৭৭ জন যা শতকরা ৪০.৫৩ ভাগ।

আর এবছর সবচেয়ে কম অকৃতকার্য হয়েছে বরিশাল বোর্ডে যা শতকরা ১৮.২৫ ভাগ। বরিশাল বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৬৯হাজার ৮৪৭ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৭হাজার ১০২ জন। উত্তীর্ণ হতে পারেনি ১২হাজার ৭৪৫ জন শিক্ষার্থী। এ বোর্ডের ৩৩হাজার ৪৮৯ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ৬হাজার৪৪ জন, যা শতকরা ১৮.০৫ভাগ আর ৩৬হাজার ৩৫৮ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ৬হাজার ৭০১ জন যা শতকরা ১৮.৪৩ ভাগ।

ঢাকা বোর্ডের  মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৩লাখ ৫৪হাজার ৪৪২ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১লাখ ৮৫হাজার ৫৯৬ জন। উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৬৮হাজার ৮৪৬ জন শিক্ষার্থী যা শতকরা ১৯.৪২ ভাগ। এ বোর্ডের ১লাখ ৭২হাজার ২১১ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ৩০হাজার ৮৯৮ জন যা শতকরা ১৭.৯৪ ভাগ আর ১লাখ ৮২হাজার ২৩১ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ৩৭হাজার ৯৪৮ জন যা শতকরা ২০.৮২ ভাগ।

রাজশাহী বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১লাখ ৪৩হাজার ৭০৩ জন যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯০হাজার ৫৩৯  জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৫৩ হাজার ১৬৪ জন শিক্ষার্থী যা শতকরা ৩৭ ভাগ। এ বোর্ডের ৭১হাজার ৩৫০ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ২৪হাজার ৭১৫ জন, যা শতকরা ৩৪.৬৪ ভাগ আর ৭২হাজার ৩৫৩ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ২৮হাজার ৪৪৯ জন, যা শতকরা ৩৯.৩২ ভাগ।

কুমিল্লা বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১লাখ ৫০হাজার ৬৮২ জন। যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১লাখ ১০হাজার ৮৪৭ জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৩৯হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী, যা শতকরা ২৬.৪৪ ভাগ। এ বোর্ডের ৬৬হাজার ৫১৯ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ১৪হাজার ৪১০ জন, যা শতকরা ২১.৬৬ ভাগ আর ৮৪হাজার ১৬৩ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ২৫হাজার ৪২৫ জন, যা শতকরা ৩০.২১ ভাগ।

যশোর বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১লাখ ৪৪হাজার ৪৯২ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯০হাজার ২৩৫ জন। উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৫৪হাজার ২৫৭ জন শিক্ষার্থী, যা শতকরা ৩৭.৫৫ ভাগ। এ বোর্ডের ৭১হাজার ১৮০ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ২৫হাজার৩৭৭ জন যা শতকরা ৩৫.৬৫ ভাগ আর ৭৩হাজার ৩১২ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ২৮হাজার ৮৮০ জন যা শতকরা ৩৯.৩৯ ভাগ।

চট্টগ্রাম বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১লাখ১হাজার ৫৯ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭১হাজার ৪ জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৩০হাজার ৫৫ জন শিক্ষার্থী যা শতকরা ২৯.৭৪ ভাগ। এ বোর্ডের ৪৫হাজার ৯১৬ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ১১হাজার ৫০১ জন যা শতকরা ২৫.০৫ভাগ আর ৫৫হাজার ১৪৩ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ১৮হাজার ৫৫৪ জন যা শতকরা ৩৩.৬৫ ভাগ।


দিনাজপুর বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১লাখ২১হাজার ৫৮২ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৭৫হাজার ৬০১ জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৪৫হাজার ৯৮১ জন শিক্ষার্থী যা শতকরা ৩৭.৮২ ভাগ। এ বোর্ডের ৫৯হাজার ৯৭৩ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ২০হাজার ৯৯৩ জন যা শতকরা ৩৫.০০ ভাগ আর ৬১হাজার ৬০৯ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ২৪হাজার ৯৮৮ জন যা শতকরা ৪০.৫৬ ভাগ।

মাদ্রাসা বোর্ডের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২লাখ ৪৪হাজার ৬৩ জন, যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১লাখ ৯৭হাজার ৭৭২ জন। উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৪৬হাজার ২৯১ জন শিক্ষার্থী যা শতকরা ১৮.৯৭ ভাগ। এ বোর্ডের ১লাখ ১২হাজার ১৭৯ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করেছে ১৭হাজার ৩৪ জন, যা শতকরা ১৫.১৮ ভাগ আর ১লাখ ৩১হাজার ৮৮৪ ছাত্রীর মধ্যে ফেল করেছে ২৯হাজার ২৫৭ জন যা শতকরা ২২.১৮ ভাগ।

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৫ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩০, ২০১০

মাশরাফি-আফ্রিদি-তামিমদের ম্যাচেও গ্যালারি ফাঁকা
মিডিয়াকে দোষ দিয়ে ভালো খেলতে পারার সুযোগ কম: মাশরাফি
বিষাক্ত তরল পানে ৩ মৃত্যুর ঘটনায় আটক ২
সড়ক অপসারণ ইউএনওর নেতৃত্বে
গাজীপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ, একজনের মৃত্যু 


এআরএফের সভাপতি আশরাফ আলী, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল হাসান
বড় জয়ে মুশফিকদের শুভ সূচনা 
আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন নেহা কাক্কর
দেশের অষ্টম শক্তিশালী ব্র্যান্ড স্বপ্ন
এবার শুরু হবে এক দফার আন্দোলন: মিনু