php glass

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনিদের নিয়োগের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

সরকারের বিভিন্ন সরকারি-আধা সরকারি দপ্তর, স্বয়ত্তশাসিত-আধা স্বয়ত্তশাসিত সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা করপোরেশনের চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ।

ঢাকা : সরকারের বিভিন্ন সরকারি-আধা সরকারি দপ্তর, স্বয়ত্তশাসিত-আধা স্বয়ত্তশাসিত সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা করপোরেশনের চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ।

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যখন থাকবেন না, তাদের সন্তানরা ও সন্তানদের সন্তানরা (নাতি-নাতনি) সরকারের বিভিন্ন দফতরের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে অর্ন্তভুক্ত হবে। তারা ওই কোটায় চাকরি করার সুযোগ পাবেন।

প্রেস সচিব জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিশু আইন, ২০১০ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনও রহিত করা হয়েছে। শিশু আইনের খসড়ায় ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের শিশু হিসেবে গণ্য করা হবে। যা আগে ১৬ বছর ছিল। এছাড়া ওই আইনের মাধ্যমে শিশু বান্ধাব পুলিশ নিয়োগ ও শিশু কল্যাণ বোর্ড গঠন করা হবে। তবে যে সকল শিশু অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের আনুষ্ঠানিক বিচার না করে বিকল্প ব্যবস্থায় বিচার করা করা হবে।

মন্ত্রিসভায় সম্পুরক প্রস্তাব হিসেবে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটার নিষেধাজ্ঞা আরও ৫ বছর বাড়ানো হয়। চলতি বছর এই নিষেধাজ্ঞার সময় সীমা শেষ হওয়া কথা ছিল।

আবুল কালাম আজাদ জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য সাহসিকতা পদকপ্রাপ্তদের বিদ্যমান আর্থিক অনুদানের হার বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন হয়নি। প্রস্তাবটি আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকারকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব ও প্রতিরক্ষা সচিব। কমিটি প্রস্তাবটির সঙ্গে পুলিশ বাহিনীতেও যারা বীরত্বপূর্ণ সাহসিকতার জন্য পদক পেয়েছেন তাদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় এনে পরবর্তী মন্ত্রি পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করবেন।
 
এছাড়া ফাইনান্সিয়াল রিপোটিং আইন, ২০১০ এর খসড়াও মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন হয়নি। তবে আইনটি আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্য কারা হবে সেটি উপদেষ্টা নির্ধারন করবেন।

বৈঠকে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী সম্প্রতি কাজাখস্তান, তিউনিসিয়া ও চীন সফরের প্রতিবেদন উপস্থান করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্ব স্ব মন্ত্রনালয়ের সরকারের ২ বছরের যে যে কাজ হয়েছে তার সকল তথ্য উপাত্ত নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দেন।

এদিকে, খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বৈঠক শেষে তার দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানতে চেয়েছেন। গত ২ বছরে যে সব কাজ হয়েছে তা প্রচার হওয়া প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ওয়েব সাইটে প্রকাশের নির্দেশ দেন। এছাড়া মানি লন্ডারিং আইন আরও জোরালো ভাবে মনিটরিং করার নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৫৪৯ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩০, ২০১০

বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের ৪৮তম শাহাদতবার্ষিকী
সাস্ট ক্লাবে প্রাণবন্ত পিঠা উৎসব
মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে বিজয় মেলা
১৪ ডিসেম্বর বান্দরবান মুক্ত দিবস
ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার


বিক্ষোভের মুখে শিলং যাত্রা বাতিল অমিতের
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড
ইতিহাসের এই দিনে

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস শনিবার
পর্দা নামলো ১৫তম স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবের
ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী হাসপাতালে