php glass

স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় ১জনের ফাঁসি, অপরজনের যাবজ্জীবন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ত্রিমোহন গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মামুনকে মুক্তিপনের দাবিতে অপহরণ ও পরে হত্যা করার দায়ে ১ জনের ফাঁসি ও অপর একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ত্রিমোহন গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মামুনকে মুক্তিপনের দাবিতে অপহরণ ও পরে হত্যা করার দায়ে ১ জনের ফাঁসি ও অপর একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বকুল ও যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামি হলেন সেলিম। উভয়েই জামিন নিয়ে পলাতক আছেন।  সেলিমকে রায়ের অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুজনেরই বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ত্রিমোহন গ্রামে।

আসামিরা পলাতক থাকায় যে দিন গ্রেপ্তার হবে কিংবা আতœসমর্পণ করবে সেদিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে অন্য তিন আসামি হাওয়া বেগম, সুরুজ মিয়া ও লাল চাঁন বেকসুর খালাস পেয়েছেন। সুরুজ মিয়া আদালতে হাজির ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল ইসলাম এ দণ্ডাদেশ দেন।

মামলার এজাহার হতে জানা যায়, ২০০৩ সালে ২৩ মার্চ ত্রিমোহন গ্রামের  লেবানন প্রবাসী মাজেদুর রহমানের একমাত্র ছেলে আফাজউদ্দিন দারুল উলুম মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মামুনকে (৮) অপহরণ করে আসামিরা। পরে তারা মুক্তিপণ হিসেবে সাড়ে তিন লাখ টাকার দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে মামুনকে হত্যা করে অভিযুক্তরা। মামুনের বস্তাবন্দি লাশ আসামি বকুলের বাড়িতে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ ঘটনার পরদিন নিহত মামুনের মামা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায়  হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনা তদন্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক কফিলউদ্দিন ২০০৩ সালের ৮ অক্টোবর উপরোক্ত পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আসামি বকুল ও সেলিম গ্রেপ্তারের পর আদালতে মামুন হত্যা কথা স্বীকার করেন।

অভিযোগপত্রের ২৮ জন সাক্ষির মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বাদী আনোয়ার হোসেন বাংলানিউজকে জানান, তিনি রায়ে সন্তুষ্ট তবে সব আসামির সাজা হলে তিনি বেশী খুশি হতেন।
খালাস পাওয়া আসামি সুরুজ মিয়ার পিতা তমিজ উদ্দিন রায়ের প্রতিক্রিয়ার তিনি ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে বাংলানিউজকে জানান।
বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, বিশেষ সরকারি কৌসুলি অ্যাডভোকেট এসএম রফিকুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত জাহান ইমু। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট নুরুদ্দিন আহমেদ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৫ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩০, ২০১০

রায়েরবাজার সৌধে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা
মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী সৌধে জনতার ঢল
হানাদারদের রুখতে বোমা ফেলা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজে
চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনকে হারানোর এক বছর
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের অনশন স্থগিত
১৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ মুক্ত দিবস
সাভারে বিদেশি পিস্তলসহ ইউপি সদস্য আটক
রামুতে প্রজন্ম’৯৫ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
১৪ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় জয়পুরহাট