পাঠ্যপুস্তকে নিরাপত্তামূলক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তের দাবি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে নিরাপত্তামূলক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দিয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

ঢাকা: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে নিরাপত্তামূলক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দিয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

বেসরকারি সংগঠন ‘দিশা’র এক জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

সংগঠনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নিরপত্তা শিক্ষা বয়স উপযোগী তথ্য প্রদানের মাধ্যমে শারীরিক মানসিক, যৌন নির্যাতন, অমানবিক বা অমর্যাদকর দুর্ব্যবহার, পাচার, ইভ টিজিং ইত্যাদির হাত থেকে শিশুদের রক্ষার কৌশল আয়ত্ত এবং প্রয়োজনে মনোসামাজিক সাহায্য পাবে।

দিশার প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা চাই নিরপত্তা শিক্ষা নামে একটি আলাদা অধ্যায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। এটি শারীরিক শিক্ষা কিংবা সাধারণ বিজ্ঞান বইতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রাজধানীর পল্লবী একালায় প্রায় ৪৫০০টি পরিবারে সঙ্গে কথা বলে যে তথ্য পেয়েছি তাতে তারা শিশুদের জন্য নিরপত্তা শিক্ষা নামে আলাদা একটি বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছে।’

নাহার একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ফারহা নাজিয়া আনসারী বলেন, ‘শিশুদের সার্বিকভাবে সচেতনতা তৈরী করতে হবে। এটি হতে পারে গল্পের মাধ্যমে বা বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে। তবে সেক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নিরপত্তা শিক্ষার বিষয়টি পাঠ্যসূচিতে থাকা দরকার।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কামাল আহম্মেদ মজুমদার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন, ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদী হাসান প্রিন্স প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৩ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ৩০, ২০১০

যৌন হয়রানির অভিযোগে কলেজশিক্ষক বরখাস্ত
নীলফামারীতে ফের মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত
কৃষি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, ফসল-সড়কের ক্ষতি
ঈশ্বরগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত


কেরানীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪
আক্কেলপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত
না’গঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
যশোরে গৃহবধূ ধর্ষণে সেই এসআইয়ের সম্পৃক্ততা পায়নি পিবিআই
‘এক মৃত ব্যক্তির অঙ্গদানে বাঁচতে পারেন আটজন’