php glass

পাবনায় একই পরিবারের পাঁচ শহীদের মায়ের কান্না আজও থামেনি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাবনার একই পরিবারের পাঁচজন শহীদ হওয়ার দীর্ঘ ৩৯ বছরেও শহীদের স্বীকৃতিটুকুও জোটেনি তাদের নামের আগে। ৮৪ বছর বয়সী শহীদ মাতা রোকেয়া খাতুন দিন দিন অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন।

পাবনা: মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাবনার একই পরিবারের পাঁচজন শহীদ হওয়ার দীর্ঘ ৩৯ বছরেও শহীদের স্বীকৃতিটুকুও জোটেনি তাদের নামের আগে।

৮৪ বছর বয়সী শহীদ মাতা রোকেয়া খাতুন দিন দিন অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন।

১৯৭১ সালে দেশ মাতৃকার টানে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার পাঁচ মেধাবী ছেলে ও এক জামাতা। এরা হলেন-ক্যাপ্টেন মোজাম্মেল হোসেন, মোশারফ হোসেন রঞ্জু, মোস্তাক হোসেন অঞ্জু, মোকাররম হোসেন মুকুল, মনসুর হোসেন মঞ্জু ও তাদের ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী।   

এদের মধ্যে ৮ ডিসেম্বর যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রূপগঞ্জ থেকে ঢাকা অভিমুখে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে যুদ্ধে শহীদ হন মোশারফ হোসেন রঞ্জু ও মোস্তাক হোসেন অঞ্জু।

দুই ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ জানাতে এবং বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে ১২ ডিসেম্বর অপর দুই ভাই মোকাররম হোসেন মুকুল ও মনসুর হোসেন মঞ্জু এবং ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী তাদের ঢাকার মধুবাগের বাসায় যান। ওই সময় পাকিস্তানি হানাদাররা তিন জনকে ধরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে হত্যা করে।

মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার আগে মোশারফ হোসেন রঞ্জু ছিলেন অ্যাডওয়ার্ড কলেজের মাষ্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র, মোস্তাক হোসেন অঞ্জু ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞানের ছাত্র, মোকাররম হোসেন মুকুল ছিলেন জেলা বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মনসুর হোসেন মঞ্জু ছিলেন পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াপদা) হিসাব রক্ষণ অফিসার। তাদের ভগ্নিপতি ইউসুফ আলী ছিলেন স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের কর্মকর্তা।

সবার বড় ভাই ক্যাপ্টেন মোজাম্মেল হোসেন মুক্তিযুদ্ধের ৭ নং সেক্টরের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। ২০০২ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।

পাঁচ শহীদের জীবিত দু‘ভাই মোকাব্বর হোসেন বিজু (৫৪) ও মোজাফ্ফর হোসেন মিলু (৪২) এখন বেকার অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।   

মোকাব্বর হোসেন বিজু বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর শুধু একটি বাড়ি রেখে গেছেন। কোনো জমি-জমা নেই। ১০ সদস্যে এই পরিবারে আমরা এখন পর্যন্ত একসঙ্গে এক পরিবারে বসবাস করছি। একটি কোচিং সেন্টারে শিকতা করি আর ছোট ভাই  মোজাফফর হোসেন পাবনার ইউনিভার্সাল ফুড লিমিটেডের ‘বিক্রয় প্রতিনিধি’র চাকরি করে সংসারের ভার বহন করছি।’

শহীদ মাতা রোকেয়া খাতুন বাংলানিউজকে বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও একুশে ফেব্র“য়ারি এলেই সবাই দেশপ্রেমিক হয়ে পড়ে। এসময় কপালে জোটে একটি আমন্ত্রণপত্র আর এক প্যাকেট খাবার। অনেকই এসে শান্তনা দেয়, নানা সাহায্য-সহযোগিতার কথা বলে। পরদিনই সবাই তা ভুলে যায়।’

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ০৪১৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৯, ২০১০

৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় চুয়াডাঙ্গা
৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের টিআরএফ সেমিনার
৭ ডিসেম্বর নালিতাবাড়ী মুক্ত দিবস
হোয়াটস অ্যাপ আইডি হারাচ্ছেন কাশ্মীরের ব্যবহারকারী


কজনা’র সভাপতি অলোক বসু-সম্পাদক অনিমেষ কর
জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন শনিবার
আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের হট্টগোল, টেলিপ্যাবের নিন্দা
বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম
ইতিহাসের এই দিনে

বিপ্লবী বাঘা যতীনের জন্ম

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত