php glass

মূল ষড়যন্ত্রকারী ২৫, খুনি ৬০ জন॥ বিডিআর বিদ্রোহ মামলার অভিযোগপত্র চূড়ান্ত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রাজধানীর বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ মামলায় ৮২৪ জন জওয়ানকে অভিযুক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করেছে।

ঢাকা: রাজধানীর বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহ মামলায় ৮২৪ জন জওয়ানকে অভিযুক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করেছে।

এদের মধ্যে ৫ ডিএডি’সহ ২৫ জনকে মূল ষড়যন্ত্রকারী ও অন্য ৬০ জনকে সরাসরি হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়াও পিলখানা হত্যাযজ্ঞে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকায় অভিযোগপত্রে বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলী  অভিযুক্ত হচ্ছেন।

অভিযোগপত্রে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক সেনাপ্রধানসহ পিলখানার চারপাশের এলাকাবাসীকে স্বাী করা হচ্ছে। আগামী দু’তিন দিনের মধ্যেই এ অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে বলে সিআইডি সূত্র জানায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির জ্যেষ্ঠ বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) আব্দুল কাহ্হার আকন্দ তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহের নামে চলে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ ও অপর ৫৬ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন।

ওই বছরের ৪ মার্চ লালবাগ থানায় দায়ের করা হত্যা মামলাটি ৭ এপ্রিল নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায়। প্রায় দেড় বছর তদন্ত চলার পর অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করা হয়।

আব্দুল কাহ্হার আকন্দ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘স্থানীয় কিছু লোকও এর সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল। তাদের দলীয় লোক হিসেবে চিহ্নিত করতে চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ’বিডিআরের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা আরএসইউ’র সদস্যরা বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তা না হলে এই হত্যাযজ্ঞ এড়ানো যেত।’

 এ মামলার স্বাী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, সাবেক সেনা প্রধান, বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, প্রত্যদর্শী এবং স্থানীয় লোকজন সহ ৭ হাজার ৯৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান।

২ হাজার তিনশ’ ৩২ জন আসামির মধ্যে ৯৫৬ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে ৮২৪ জনকে ।

জবানবন্দিতে লাশ গায়েব করা, গণকবর দেওয়া, রক্ত পানিতে ধুয়ে আলামত ধ্বংস করার কথাও স্বীকার করেন আসামিরা।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, রাসায়নিক পরীা করে চার হাজার চারটি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া বিদ্রোহের সময় অসংখ্য গুলিও ব্যবহৃত হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় : ২০:৪৯ ঘণ্টা, জুলাই ০৯, ২০১০

গুজবে বিভ্রান্ত না হতে বিসিসি মেয়রের আহ্বান
চমেক হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে
বর্ষাহীন কলকাতায় ক্যালেন্ডারেই আষাঢ়-শ্রাবণ
উঠছে সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, কর্মচঞ্চল জেলেপাড়া 
এডিবির অর্থেই ঢাকা-সিলেট চারলেন, বাদ চীনা কোম্পানি


 চাঁদপুরে আখের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে ২ ফেরি বিকল, যানজট-ভোগান্তি চরমে
নেশা করতে নিষেধ করায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
এবার ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে বগুড়ায় ৪ যুবককে গণপিটুনি
ময়মনসিংহে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত