php glass

মান্নান ভূঁইয়ার অবস্থার অবনতি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে দুঃসংবাদ।

ঢাকা: রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে আসতে পারে দুঃসংবাদ।

শুক্রবার সকাল থেকেই মান্নান ভ্ূঁইয়ার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার খবর জানিয়েছেন তার চিকিৎসকরা। সেইসঙ্গে অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রাও ৮০% থেকে বেড়ে ১০০% এ দাঁড়িয়েছে।

এ অবস্থায় তার জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বজলুল গণি ভূঁইয়া।

এদিকে, শুক্রবার সকাল থেকেই বিএনপির নেতারা মান্নান ভূঁইয়াকে দেখতে স্কয়ার হাসাপাতালে আসা যাওয়া করছেন।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এমকে আনোয়ার, নজরুল ইসলাম খান,  ঢাকা সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্কয়ার হাসপাতালে যান। এরা সবাই মান্নান ভূঁইয়ার রোগমুক্তি কামনা করেন।

বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে হাসপাতালে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের। কিছু সময় মান্নান ভূঁইয়ার পাশে থাকেন তিনি।

বেরিয়ে এসে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা একে অপরের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। কিন্তু কেউ কারো শত্রু নই। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ব্যক্তিগত হৃদ্যতার টানেই অসুস্থ নেতার পাশে ছুটে এসেছি। আমি তার আরোগ্য কামনা করি।’

বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে মান্নান ভূঁইয়াকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে না পারায় সোমবার থেকে তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছিল।
৩১ মে ফুসফুসের চিকিৎসা করাতে সিঙ্গাপুর যান মান্নান ভ্ূঁইয়া। সেখানে তিনি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভিার্সিটি হাসপাতালের করোনারি ইউনিটে (সিসিইউ)  চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায় মান্নান ভূঁইয়ার দেহে মোট ৮টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। সর্বশেষ কেমোথেরাপি দেওয়ার পর তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছিলেন না।

সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসাপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ টো হ্যাং চেং ও সার্জন টি অ্যাগেস্টাইনের তত্ত্বাবধানে গত জানুয়ারি মাস থেকে তার চিকিৎসা চলছিল।

এজন্য তিনি দুই দফা সিঙ্গাপুর যান। সর্বশেষ চিকিৎসা শেষে গত ৩০ এপ্রিল তিনি দেশে ফিরেছিলেন।

চারদলীয় জোট সরকারের প্রভাবশালী সাবেক এ মন্ত্রী ১৯৯৬ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত টানা ১১ বছর বিএনপির মহাসচিব ছিলেন।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার আগ মুহূর্তে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। এরপর ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন তিনি।

১৯৪৩ সালে নরসিংদী জেলার শিবপুরে জন্ম গ্রহণ করেন দেশের এই রাজনীতিক।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪০ ঘণ্টা, জুলাই ০৯, ২০১০


চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
সেভিয়ার কাছে লিভারপুলের হার
রাজধানীতে ৫ ডাকাত আটক
ধোবাউড়ায় গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি গ্রেফতার
বরিশালে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা


ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বারান্দায় শিশুদের পাঠদান
ছোটপর্দায় আজকের খেলা
জমতে শুরু করেছে ভাসমান পেয়ারার বাজার
টানা বৃষ্টিতে লোকসানে মরিচ চাষিরা
১১ ঘণ্টায়ও মেলেনি তুরাগে পড়া ট্যাক্সিক্যাব