php glass

অনলাইনে গাড়িকর ও ফি আদায়ের অনুমতি দিয়েছে সরকার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

অনলাইন পদ্ধতিতে গাড়ির কর ও ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। পদ্ধতিটি চালু হলে বছরে কমপক্ষে ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বাড়বে।

ঢাকা : অনলাইন পদ্ধতিতে গাড়ির কর ও ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। পদ্ধতিটি চালু হলে বছরে কমপক্ষে ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বাড়বে। বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. নূর-উর-রহমান বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

অনলাইন ব্যাংকিং পদ্ধতি স্থাপনে বেসরকারি ৭টি প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব যাচাই করে পাঁচ বছরের জন্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস লিমিটেডকে (সিএনএস) নামের একটি কোম্পানিকে সেবাদাতা (সার্ভিস প্রোভাইডার) হিসেবে মনোনীত করেছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সিএনএসকে ৫ বছরের সেবার জন্য দিতে হবে ৪৪ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার ৮৭৫ টাকা।

কমিটির আহবায়ক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খন্দকার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন,
‘গ্রাহক হয়রানি কমাতে এবং কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা আনতে অনলাইন ব্যাংকিং পদ্ধতিতে মোটরযানের কর ও ফি আদায়ের পক্ষে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে।’

বর্তমানে ঢাকাসহ সারাদেশে মোট ৯৪টি ডাকঘরের মাধ্যমে মোটরযান কর ও ফি আদায় করা হয় বলেও জানান তিনি।

মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘ডাকঘরের মাধ্যমে মোটরযানের কর ও ফি আদায়ের ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হলো, গ্রাহক বিড়ম্বনা এবং বিআরটিএ’র (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) বিভিন্ন অফিস ও সংশ্লিষ্ট ডাকঘরের মধ্যে আর্থিক হিসাবের সমন্বয়হীনতা।

তিনি বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে ডাক বিভাগের মাধ্যমে কর ও ফি বাবদ আদায় হওয়া প্রায় ১০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। যা সরকারের জন্য একটি বড় ক্ষতি।’

অনলাইন ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু হলে বছরে কমপক্ষে ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় বাড়বে বলেও জানান তিনি।

মোটরযান কর ও ফি খাতে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে রাজস্ব হিসেবে আদায় হয়েছে ৬ শ’ ৪৭ কোটি টাকা। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ৬ শ’ ৬০ কোটি টাকা হলেও আদায় হয়েছে মাত্র ৩ শ’ ৮৫ কোটি টাকা।

মোটরযানের রাজস্ব আদায়ের জন্য ডাকঘরকে প্রতিবছর ৩ শতাংশ হারে কমিশন দিতে হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। সম্প্রতি ডাক বিভাগ এই কমিশনের হার ৩ থেকে বাড়িয়ে ৬ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে।

অন্যদিকে, অনলাইন পদ্ধতিতে মোটরযান কর ও ফি আদায়ে প্রতিবছর খরচ হবে প্রায় ৯ কোটি টাকা। যা ডাকবিভাগকে দেওয়া কমিশন থেকে অর্ধেকেরও কম।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ ঘণ্টা, জুলাই ০৮, ২০১০

ভারতের কোচ বাছাই করবেন কপিল, কমছে কোহলির ক্ষমতা
রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত
রাজধানীতে ‘জল সবুজে আঁকা, প্রিয় শহর ঢাকা’ ক্যাম্পেইন
পূরণ হতে চলেছে সেই ছেলের স্বপ্ন
রিফাত হত্যার তদন্তে হস্তক্ষেপ করবেন না হাইকোর্ট


‘বীর’ সিনেমাতেও শাকিবের নায়িকা বুবলী
খুলনা শিপইয়ার্ডে চাকরি
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হলেন জিএম কাদের 
‘দেশের উন্নয়নে দরকার, শেখ হাসিনার সরকার’
১২ পদে নিয়োগ দেবে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট