php glass

৭ম সংশোধনী: রুলের শুনানি ২৬ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের শুনানি ২৬ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

ঢাকা: সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের শুনানি ২৬ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এর শুনানি শুরু হয়। পরে রাষ্ট্রপরে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২৬ জুলাই পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।

চট্টগ্রামের জনৈক ছিদ্দিক আহমেদের দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও বিচারপতি নাঈমা হায়দারের হাইকোর্ট বেঞ্চ হাইকোর্ট সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী নিয়ে রুল জারি করে। এতে সপ্তম সংশোধনী কেন অবৈধ ও সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপে শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘সংবিধানের মূলস্তম্ভ ভঙ্গ করে এমন কোন আইন সংসদ করতে পারে না। সামরিক শাসনের কোনো বৈধতা নেই।’

এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার রিটের শুনানিতে ব্যস্ত থাকবেন জানিয়ে সময় চাইলে আদালত শুনানি মুলতবি করেন।

রিট আবেদনকারীর পে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার হাসান এস আজিম।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী কোন সংশোধনী আনার এখতিয়ার কারও নেই। পঞ্চম সংশোধনী মামলার রায়ে বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সপ্তম সংশোধনী সংবিধানের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী।’
 
সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদের সামরিক শাসনামলে জারি করা সব ফরমান, আদেশ, নির্দেশ, বিধি এবং অন্যান্য সব কার্যক্রমের বৈধতা দেওয়া হয়। এরশাদের মতা গ্রহণকেও বৈধতা দেয়া হয় এ সংশোধনীতে। ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সংশোধনীটি সংসদে গৃহীত হয় ও পর দিন প্রেসিডেন্ট তাতে সম্মতি দেন।

ছিদ্দিক আহমেদের দায়ের করা রিটে বলা হয়, ১৯৮৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের জনৈক আবু তাহেরের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় তার বাসায় পাওয়া যায়। এ নিয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত করে এটিকে হত্যা মামলা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। পুলিশ নুরুল আনোয়ার, ছিদ্দিক আহমেদ ও নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। মামলাটি চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এলে আসামিরা জামিন পান। তবে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এক আদেশে মামলাটি চট্টগ্রামের সামরিক আদালতে বদলি করা হয়। ওই আদালত আসামিদের অনুপস্থিতিতে প্রত্যেকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।

২০০৬ সালে ২ অক্টোবর পুলিশ ছিদ্দিক আহমেদকে গ্রেপ্তার করে। এর তিন বছর পর তিনি ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে সামরিক আদালতে তার কারাদণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্চ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন। এতে সপ্তম সংশোধনীর বৈধতাও চ্যালেঞ্চ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪১ ঘণ্টা, জুলাই ০৮, ২০১০

কোরবানির পশুতে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ: খসরু
কর্মকর্তাদের অসন্তোষে বড়পুকুরিয়া খনির এমডিকে অপসারণ
মানুষী নয়, ‘কিক ২’ করছেন জ্যাকুলিন!
কৃষক বাবার সেই ছেলের দায়িত্ব নিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি
রাজধানীর উত্তরা থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার


দুধের নমুনা সংগ্রহে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান 
সোহানের ব্যাটে লিডের পথে বিসিবি একাদশ
ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় মনোযোগী, বাজিমাত ইংরেজিতে!
৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা, ২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
ক্যামিকেল-রং দিয়েই ফলের জুস!