php glass

৮ জুলাইকে নিরাপদ নৌপথ দিবস ঘোষণার দাবি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

৮ জুলাইকে ‘নিরাপদ নৌপথ দিবস’ ঘোষণার জন্য আহবান জানিয়েছে ‘নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন।

ঢাকা: ৮ জুলাইকে ‘নিরাপদ নৌপথ দিবস’ ঘোষণার জন্য আহবান জানিয়েছে ‘নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসকাবে ‘গত ২৫ বছরের নৌ দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং সংগঠনের অবস্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সরকারের প্রতি এ আহবান জানায় সংগঠনটি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নৌ দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ২০০৩ সালের ৮ জুলাই। ওই দিন চাঁদপুরের মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় ‘এমভি নাসরিন’ লঞ্চডুবির ঘটনায় ৪০২ জন মারা যায়। দিনটিকে স্মরণ করে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনটির সভাপতি আশীষ কুমার দে’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জীবানানন্দ জয়ন্ত। অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, অধ্যক্ষ কামাল আতাউর রহমান, আমিনুর রসূল, শরিফুজ্জামান শরীফ, ফয়েজ হোসেন, বাহরাইনে সুলতান বাহার, স্বপন ভূঁইয়া প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে জীবানানন্দ জয়ন্ত বলেন, ‘এমভি নাসরিনের দুর্ঘটনা এ যাবতকালে ঘটে যাওয়া  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নৌ দুর্ঘটনা। এদিনটিকে স্মরণ করে আমরা সরকারের কাছে দিনটিকে ‘নিরাপদ নৌপথ দিবস’ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি’। তিনি বলেন, ‘দেশে এ পর্যন্ত ৫৩৫টি দুর্ঘটনার পর ৮৬৩টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সংশ্লিষ্টদের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দিলেও তা প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি এসব সুপারিশের বাস্তবায়নেরও কোনো উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি’।

নৌদুর্ঘটনা এড়াতে এবং নৌপথকে নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব করতে অনুষ্ঠানে নিরাপদ নৌপথ দিবসের দাবিসহ ১৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, অভ্যন্তরীণ নৌ অধ্যাদেশ ১৯৭৬ সংশোধন করে লঞ্চ মালিককেও দায়ী করার বিধান করা, নৌ দুর্ঘটনাকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা, নৌযাত্রীদের জীবনবীমা চালু, বাজেটে নৌপথের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি, নিয়মিত নদীর ড্রেজিং করা, সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে লঞ্চ ও স্টিমার সার্ভিস চালু ইত্যাদি।

দেশের বাণিজ্যিক নৌপথে অন্য বড় দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ২০০২ সালের ৩ মে এমভি সালাউদ্দিন-২ দুর্ঘটনায় ৩৬৩ জনের মৃত্যু, ২০০৩ সালের ২১ এপ্রিল এমভি মিতালী-৩ দুর্ঘটনায় ২০০ জন, ২০০৪ সালের ২৩ মে এমভি লাইটিং সান দুর্ঘটনায় ৭০ জন, ২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর এমভি কোকোর দুর্ঘটনায় ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটনা।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ১৪১৪ ঘণ্টা, ৮ জুলাই ২০১০

সিংড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
জামালপুরে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৫২ সে. মি. ওপরে
এইচএসসি পরীক্ষার ফল দেখা হলো না মইনুলের 
সিরাজগঞ্জে রিং বাঁধ ধসে ৫ গ্রাম প্লাবিত
চাঁদে অবতরণের ৫০ বছর পূর্তিতে পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প-সভা 


রেলে যুক্ত হচ্ছে জার্মানির তৈরি আধুনিক কিরো ক্রেন
গ্রেফতারের আগে দেশবাসীকে যে বার্তা দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা
বাচ্চা চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লেন নারী 
প্রস্তুত বেনাপোল এক্সপ্রেস, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ডেঙ্গু নিধনে অনেক চ্যালেঞ্জ: মেয়র আতিকুল