php glass

যুদ্ধাপরাধের মামলা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তৎপর

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার পর থেকেই ‘যুদ্ধাপরাধ মামলা’ নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেইসঙ্গে মামলার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে তারা এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

ঢাকা: জামায়াতে ইসলামীর তিন শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার পর থেকেই ‘যুদ্ধাপরাধ মামলা’ নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেইসঙ্গে মামলার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে তারা এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য-প্রমাণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবকে (আইন ও পরিকল্পনা) আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠিত হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (আইন), উপ-সচিব (প্রশাসন), উপ-সচিব (রাজনৈতিক-১) এবং উপ-সচিব (নিরাপত্তা অধিশাখা)।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর স্বাক্ষরিত অতি জরুরি একটি অফিস আদেশনামা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কমিটির কাজ হবে নির্ধারিত ছকে তথ্য সংগ্রহ করে তা একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের (প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা, নিরাপত্তা ও বহির্গমন) কাছে দেওয়া। এজন্য কমিটিকে ৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

১৯৭০-’৭১ থেকে ১৯৭৪-’৭৫ সাল পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের তথ্য নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে কমিটিকে।

প্রাথমিকভাবে আলোচিত অপরাধসমূহ পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করে যাবতীয় তথ্য সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
’৭১ সালের রাজাকার অর্ডিন্যান্স সংক্রান্ত গেজেটের কপি, আল বদর, আল সাম্স গঠনের তালিকাসহ ১৯৭০-’৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংগ্রহ করবে কমিটি।

এছাড়া ’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের আত্মসমর্পণের দলিল, ’৭২ সালে দালাল আইনে বিচারের জন্য গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলার নিবন্ধন ও নিষ্পত্তির রেজিস্ট্রার, মামলাগুলোর মূল নথি সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে তাদের।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত যেসব মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল তার সার সংক্ষেপসহ তালিকা চূড়ান্ত আকারে পেশ করতে হবে।

কমিটির কর্মকর্তারা ১৯৭১ সাল সংঘটিত মানবতাবিরোধী জঘন্যতম অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের তদন্তে গঠিত তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন।

১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে তদানিন্তন ডিআইজি এম আর খাঁন ও মীর মোস্তাফিজুর রহমান খাঁনের তদন্ত রিপোর্টও সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে তাদের।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি (অব.) মো. আব্দুর রহীম পিপিএম এবং ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর (প্রশাসন) জিয়াদ-আল-মালুম এ ব্যাপারে দ্রুত কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৪ ঘণ্টা, জুলাই ০৬, ২০১০

নূরকে পেয়ে আপ্লুত প্রতিমন্ত্রী এনাম, সালাম করলেন পা ছুঁয়ে
চূড়ান্ত তালিকায় মুশফিকসহ পাঁচ বাংলাদেশি!
৭১ একটি চেতনা, তার প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
অনশনরত পাটকল শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে বাসদের মানববন্ধন
৫ দিন পর নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার


শীতের খাবার চিকেন মোমোর রেসিপি
সিলেটকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রাজশাহীর
মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে ত্রিপুরা: বিপ্লব
হাসু-কাসু বাহিনীর মূলহোতা আটক
দুর্নীতির দায়ে কারাভোগী ব্যক্তিকে সরকার সহযোগিতা করবে না