php glass

আন্দোলনের মাধ্যমে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বাধ্য করা হবে- সন্তু লারমা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

১৩ বছরেও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

ঢাকা: ১৩ বছরেও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

তিনি বলেছেন, ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে আরও আন্তরিক হতে হবে। অন্যথায়, আন্দোলনের মাধ্যমে চুক্তি বাস্তবায়নে বাধ্য করা হবে।’

পার্বত্য শান্তিচুক্তির ১৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জনসংহতি সমিতি আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি একথা বলেন।
 
সন্তু লারমা বলেন, ‘টাস্কফোর্সের সদস্য নিয়োগ, পার্বত্য অঞ্চলের জন্য মন্ত্রী নিয়োগ ছিল লোক দেখানো। বস্তুত, পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনও সেনাশাসন চলছে। বর্তমান সরকার এর আগে যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন ক্ষমতা ছাড়ার আগে ‘অপারেশন-উত্তর’ আইনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বহাল রেখে যায়।’

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে যে ৩৮টি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেগুলোর সবই সেনাবাহিনীর প্রয়োজনে, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য নয়।’

বিগত সরকারের মতো বর্তমান সরকারও পার্বত্য অঞ্চলে বহিরাগতদের পুনর্বাসনে পৃষ্ঠপোষকতা করছে-- এ অভিযোগ তুলে সšত্ত লারমা  পার্বত্য অঞ্চলে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করে পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যকর করা ও ভূমি-সংঘাত এড়াতে বিতর্কিত ভূমিআইন ২০০১ বাতিলের দাবি জানান।
   
পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউপিডিএফ-কে একটি বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করে সন্তু লারমা আরও বলেন, ‘জনসংহতি সমিতির নেতৃত্বকে ধ্বংস করার জন্য সরকারি মদদে ইউপিডিএফ গঠন করা হয়েছিল। এরা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি করছে। তারা সফল হয়েছে।’ পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউপিডিএফ-কে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তিনি।

সন্তু লারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সিপিবি সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, লেখক মাসুদা ভাট্টি, এ এন রাশেদা, ব্যারিস্টার সারা হোসেন প্রমুখ।
 
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য অঞ্চলে এখনও অশান্তির ঘটনা ঘটছে।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনটিকে জাতীয় আন্দোলনের রূপ দিতে হবে। তা না হলে এই ইস্যু ঝিমিয়ে পড়বে।’

এ জন্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনারও পরামর্শ দেন তিনি।

মঞ্জুরুল আহসান খান বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে এখনও সেনাবাহিনী সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকার সেনাবাহিনীর বিপক্ষে গিয়ে কিছু করবে না। কারণ, এতে করে সেনাবাহিনী তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যা সমাধানে একটি চূড়ান্ত বিপ্লব করতে হবে।’  

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০২, ২০১০

ksrm
নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
দেবীগঞ্জে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
রাবির শিক্ষার্থী রাজু নিখোঁজ
বেনজেমার গোলে কষ্টার্জিত জয় পেল রিয়াল মাদ্রিদ
আগরতলায় চট্টগ্রামের শিল্পীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী


পা দিয়ে ছবি এঁকে জাতীয় প্রতিযোগিতায় মোনায়েম
আটকের পর টিনুর বাসায় র‍্যাবের অভিযান, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
দশজন নিয়ে অ্যাস্টোন ভিলাকে হারালো আর্সেনাল
বরিশালে জুয়ার আসর থেকে আটক ৮
রেকর্ড গড়ার ম্যাচে চেলসিকে হারালো লিভারপুল