ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২২ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

একদিন পর সচল বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর

বেনাপোল প্রতিনিধি | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৩১৬ ঘণ্টা, জুলাই ৬, ২০১০

বেনাপোল: একদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে আবার সচল হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল। সকাল ১০টা থেকে এ বন্দর দিয়ে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়।

বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এলেও চেকপোস্ট থেকে বন্দর এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ যানজট। এতে দুর্ভোগে পড়েছে পাসপোর্টধারী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন।

বেনাপোল চেকপোস্টে কর্তব্যরত কাস্টমস কার্গো কর্মকর্তা নূরুল হক জানান, সকাল ১০টা থেকে দু’দেশের মধ্যে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বেলা ১২টা)  শতাধিক পণ্যবোঝাই  ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। এছাড়া ভারতে রপ্তানি হয়েছে ৫০ ট্রাক পণ্য। এ পথে প্রতিদিন ভারত থেকে আড়াই‘শ থেকে তিনশ‘ ট্রাক পণ্য আমদানি হয় এবং ভারতে রপ্তানি হয় একশ‘ থেকে দেড় ট্রাক পণ্য।

সোমবার ভারতে সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘটের কারণে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকে। একদিন বন্ধের কারণে উভয় বন্দরে আটকা পড়েছে পেঁয়াজ, রসুন, ফল ও মাছসহ অন্যান্য পঁচনশীল কাঁচামাল।

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বেনাপোল বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এলেও চেকপোস্ট থেকে বন্দর এলাকা জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ যানজট। এ কারণে যানবাহন চলাচলসহ পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াতে মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে। দীর্ঘ পথ অনেকে পায়ে হেঁটে পাড়ি দিচ্ছে। একই সড়ক দিয়ে আমদানি-রপ্তানি হওয়ায় পণ্যবোঝাই ও খালি ট্রাকগুলোর দীর্ঘ লাইনের কারণে ভয়াবহ যানজটের কবলে পড়ে ব্যাহত হয় দু`দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

যানজটের পাশাপাশি বন্দরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ পণ্যজট। বন্দরের অভ্যন্তরে মালামাল রাখা সংকুলান না হওয়ায় আমদানি করা পণ্যবোঝাই ট্রাকগুলো সরাসরি বন্দরের ট্রাক টার্মিনালে রাখা হয়েছে।

বন্দরের সিনিয়র উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম, বন্দরের শেডগুলোর মধ্যে জায়গা খালি হলেই পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য আনলোড করা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ঘন্টা, জুলাই ০৬, ২০১০

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa