php glass

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’পে সংঘর্ষে আহত ২, গুলিবর্ষণ-ভাংচুর

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দু’পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলছে। সুমন ও মেরাজ নামে আহত ২ ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দু’পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলছে। সুমন ও মেরাজ নামে আহত ২ ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এসময়ে প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন অফিস ভাংচুর করা হয়।

সংঘর্ষের কারণে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ক্যাম্পাসে শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যদর্শীরা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল দশটার দিকে সম্প্রতি গঠিত বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে কাঙ্খিত পদবঞ্চিত মাহবুব-খসরু পরে নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসের কলাভবনের পূর্বপাশে অবস্থান করছিল। কিছুন পরে কমিটিতে থাকা জাহাঙ্গীর-তুহিন পরে নেতা-কর্মীরা সেখানে গেলে দু’পক্ষে সংঘর্ষ বেধে যায়।

একপর্যায়ে লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে উভয় পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিপে শুরু হয়।

এ সময় পাঁচ রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা গেছে। ক্যাম্পাসে বিরাজমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা আতংক রয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইবি ছাত্রলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘আমাদেরকে কেউ ধাওয়া করেনি। ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের উচ্ছৃংখল নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভাংচুর করেছে।’

গুলিবর্ষণের বিষয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমাদের কেউ গুলি করেনি। করে থাকলে মাহাবুবের পক্ষ করেছে।’

পদবঞ্চিত পক্ষের নেতা মাহাবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া করায় তাদের পাল্টা ধাওয়া দেওয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীর গ্রুপের হামলায় আমাদের পক্ষের সুমন ও মেরাজ আহত হয়।’

গুলিবর্ষণের বিষয়ে তিনিও অপর পক্ষকে দায়ী করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেন, ‘সকালে ইবি’র নয়া কমিটির সভাপতি ক্যাম্পাসে গাড়ি থেকে নামার সময়ে কিছু উচ্ছ্বৃংখল যুবক তাকে ঘেড়াও করে। এ নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ালেও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে মাহবুব-খসরু গ্র“পের নেতা-কর্মীরা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাসের বঙ্গবন্ধু হলের দিকে অবস্থান করছে। অপরদিকে জাহাঙ্গীর-তুহিন পরে নেতা-কর্মীরা লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে জিয়াউর রহমান হলে অবস্থান করছে।

যে কোনও সময়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ বেধে যেতে পারে বলে আশংকা করছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বাংলাদেশ সময়: ১১৫৫ঘন্টা, জুলাই ০৮, ২০১০

মিডিয়াকে দোষ দিয়ে ভালো খেলতে পারার সুযোগ কম: মাশরাফি
বিষাক্ত তরল পানে ৩ মৃত্যুর ঘটনায় আটক ২
সড়ক অপসারণ ইউএনওর নেতৃত্বে
গাজীপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ, একজনের মৃত্যু 
এআরএফের সভাপতি আশরাফ আলী, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল হাসান


বড় জয়ে মুশফিকদের শুভ সূচনা 
আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন নেহা কাক্কর
দেশের অষ্টম শক্তিশালী ব্র্যান্ড স্বপ্ন
এবার শুরু হবে এক দফার আন্দোলন: মিনু
পরীক্ষামূলক চালু হলো ঢাকা-সিকিম বাস সার্ভিস