php glass

প্রকল্প নিয়ে বসে আছে বাংলাদেশ ॥ জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবিলার তহবিলে অর্থ আসছে না

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গ্রহণ করা হয়েছে নানা প্রকল্প। এখন অপেক্ষা শুধু উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিশ্রুত অর্থ প্রাপ্তি।
 

ঢাকা: বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গ্রহণ করা হয়েছে নানা প্রকল্প। এখন অপেক্ষা শুধু উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিশ্রুত অর্থ প্রাপ্তি। অথচ উন্নয়ন সহযোগীদের ঘোষিত ‘কাইমেট চেঞ্জ রিজিলেন্স ফান্ড’-এ অর্থ কবে পাওয়া যাবে তা জানা নেই সরকারের।
 
পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। এখন উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিশ্রুত অর্থ পেলেই প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা যাবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অর্থ পাওয়া যাবে জানি, তবে কবে আসবে তা এখনো জানা যায়নি’।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পাঁচ উন্নয়ন সহযোগীর সমন্বয়ে গত মে মাসে ১১০ মিলিয়ন ডলারের ‘কাইমেট চেঞ্জ রিজিলেন্স ফান্ড’ গঠন করা হয়। এই তহবিলে এরইমধ্যে ডেনমার্ক ১.৬ মিলিয়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১০.৪ মিলিয়ন, সুইডেন ১১.৫ মিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্য ৮৬.৭ মিলিয়ন ডলার সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে। এই অর্থ অতিদ্রুত বাংলাদেশের ওই তহবিলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়।

পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী জানান, এই তহবিল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তবে বিশ্বব্যাংক এতে কারিগরি সহায়তা দেবে। সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে তহবিলে অর্থ আসবে বলেও তিনি জানান।  

ড. মাহমুদ বলেন, ‘পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তৈরিকৃত বাংলাদেশ কাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্লান ২০০৯-২০১৮ অনুযায়ী তহবিলের অর্থ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে। এ অ্যাকশন প্লান মন্ত্রিসভায় অনুমোদিতও হয়েছে’।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রকল্পগুলো শুরু করা খুবই জরুরি বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক ও উপ-সচিব মনজুরুল হান্নান খান বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানিয়েছেন, কাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্লান অনুযায়ী ৪৪টি প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে।

তিনি জানান, এর মধ্যে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে শুরু হয়েছে এবং অন্য প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন করা হবে তহবিল থেকে।

বন বিভাগের পক্ষ থেকেও দু’টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানিয়েছেন উপ-প্রধান বন সংরক্ষক ইশতিয়াক উদ্দিন আহমদ বলেন।

দু’টি প্রকল্পকেই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি জানান, সাইকোন ও জলোচ্ছাস থেকে উপকূলকে রক্ষায় ‘উপকূলীয় বনায়ন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় মূল ভূখণ্ড ছাড়াও চরাঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘চলতি বর্ষা মৌসুমের মধ্যেই বনায়ন কার্যক্রম শুরু করতে পারলে ভালো হতো। নতুবা পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে’।

পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অবশ্য আশা করছেন কাইমেট চেঞ্জ রিজিলেন্স ফান্ডে আগামী তিন-চার মাসের মধ্যেই অর্থ পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ সময়: ২০২৫ ঘণ্টা, ৪ জুলাই ২০১০   

পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে খেলছে বৃষ্টি
আসামে বিক্ষোভের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন শিনজো আবে 
নূরকে পেয়ে আপ্লুত প্রতিমন্ত্রী এনাম, সালাম করলেন পা ছুঁয়ে
চূড়ান্ত তালিকায় মুশফিকসহ পাঁচ বাংলাদেশি!
৭১ একটি চেতনা, তার প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর


অনশনরত পাটকল শ্রমিকের মৃত্যুর প্রতিবাদে বাসদের মানববন্ধন
৫ দিন পর নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার
শীতের খাবার চিকেন মোমোর রেসিপি
সিলেটকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রাজশাহীর
মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে ত্রিপুরা: বিপ্লব