php glass

হাজিরা দিতে নিজামী আদালতে

মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার তারিখ ৩১ বার পিছালো

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২ আগষ্ট ধার্য করা হয়েছে। এনিয়ে মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩১ বার সময় মঞ্জুর করা হলো।

ঢাকা: কেরানীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২ আগষ্ট ধার্য করা হয়েছে। এনিয়ে মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩১ বার সময় মঞ্জুর করা হলো। ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. তৈয়বুল হাসান এ সময় মঞ্জুর করেন।

রোববার ওই হামলায় হাজিরা দিতে জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে আদালতে আনাহয়। হাজিরা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জ থানার ভাওয়াল খানবাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমেদ খান বাদি হয়ে এ মামলা করেন।

মামলায় জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা, মো. কামরুজ্জামানসহ ১৩ জনকে আসামী করা হয়।


পুলিশের খাতায় এতদিন তারা পলাতক ছিলেন। গত ৩০ জুন নিজামী ও মুজাহিদকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলায় আরও আসামী করা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর কেরানীগঞ্জ থানার আমীর হাজি নাজিম উদ্দিন, ঢাকা জেলা আমীর আবুল হোসেন, ফয়জুর রহমান ফয়েজ, কেজি করিম বাবলা, মো. ইয়াসিন, ডা. জয়নাল আব্দুল খালেক, আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী ও পুইন্না আল বদর।
আসামীদের মধ্যে ডা. জয়নাল আব্দুল খালেক, আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী ও পুইন্না আল বদর মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

প্রথমে আদালতে পিটিশন মামলা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জ থানায় তা নিয়মিত মামলা হিসাবে রুজু হয়।

ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধান করে তৎকালীন কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মল্লিক মো. রুহুল ইসলাম আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।


বাদি তার অভিযোগে নিজেকে কেরানীগঞ্জ থানার একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসাবে উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা ও কামরুজ্জামানসহ আরও অনেকে পাক হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য রাজাকার, আল বদর ও আল শামস বাহিনী গঠন করে।


আসামীরা ১৯৭১ সালের ২৫ মে ভোররাত্রে মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা ও ওসমান গণি তাদের মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এলে আল বদর ও আল শামস বাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে এবং সকাল সাড়ে ৭ টায় তাদের ধরে ফেলে। এরপর তারা ২ মুক্তিযোদ্ধাকে বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৯ ঘণ্টা, জুলাই ০৪, ২০১০

বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তিতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের তাগিদ
কোটালীপাড়ায় ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে পুলিশসহ নিহত ২
কলকাতা থেকে প্রকাশ পাচ্ছে সুমন-বৃষ্টির দ্বৈতগান
একমির উদ্যোক্তা পরিচালক সিনহার শেয়ার কেনার ঘোষণা
অভিশংসন খড়গে ট্রাম্প  


অজয় রায়ের প্রতি সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যানের চুক্তির মেয়াদ বাড়লো
‘জনপ্রিয় নেত্রী হওয়ায় খালেদাকে বন্দী রাখা হয়েছে’
নড়াইল মুক্ত দিবসে র‌্যালি-আলোচনা সভা
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা