দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা: ফের রিমান্ডে নেওয়া হবে রেজ্জাকুলকে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

দশ ট্রাক অস্ত্র চালানের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে আরও তথ্য পেতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হবে। এমনকি তাকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের মুখোমুখিও করা হতে পারে।

php glass

চট্টগ্রাম: দশ ট্রাক অস্ত্র চালানের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে আরও তথ্য পেতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হবে। এমনকি তাকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের মুখোমুখিও করা হতে পারে।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

এর আগে ছয় দিনের রিমান্ড শেষে রোববার তাকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফজলুল বারীর আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানো হয়।

সিআইডির একটি সূত্র জানায়, রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেওয়ার জন্য সিআইডির পক্ষ থেকে রোববার সকাল থেকে কয়েক দফা অনুরোধ করা হয়। অনুরোধে সাড়া না মেলায় এক পর্যায়ে তাকে চাপ প্রয়োগ করেও জবানবন্দী নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু জবানবন্দী না দেওয়ার ব্যাপারে শেষ পর্যন্ত অনড় অবস্থানেই থেকে যান রেজ্জাকুল হায়দার।

তবে চাপ প্রয়োগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মো.মনিরুজ্জামান।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে তিনি বলেন, ‘চাপ প্রয়োগ দূরে থাক, আমি তাকে একবারও বলিনি যে জবানবন্দী দেন। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন আছে। পরে তাকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে।’

একই প্রসঙ্গে এ মামলায় রাষ্ট্রপরে কৌঁসুলি কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রেজ্জাকুল হায়দার শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন, সুচতুর লোক। তাকে চাপ প্রয়োগ করে জবানবন্দী আদায় করলে পরে তিনি আবার অস্বীকার করতে পারেন। তিনি যদি স্বেচ্ছায় জবানবন্দী দিতে না চান কারো কিছু করার নেই।’

২০০৯ সালের ১৫ মে সাবেক এই ঊর্দ্ধতন সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকার ধানমণ্ডির নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। গ্রেপ্তারের পর তাকে তিন দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর এক পর্যায়ে তাকে প্রথমে একবার ১৬৪ ধারায় জবাবন্দী নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও শেষ মুহূর্তে তিনি তা প্রত্যাখান করেছিলেন।

২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)’র জেটিঘাটে খালাসের সময় দশ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ে। এ ঘটনায় অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় পুলিশ এর আগে চার্জশিট দাখিল করলেও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ১২ ফেব্র“য়ারি মহানগর দায়রা জজ মামলা অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৪, ২০১০

৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপলো পেরু
ধানের দামের প্রভাব পাইকারি বস্ত্রের বাজারেও!
খালেদাকে দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
নান্দাইলে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন
খুলনায় ঈদ পোশাকে গলাকাটা দাম!


শ্রীলঙ্কা থেকে আইএসের নৌকা যাত্রার খবরে কেরালায় সতকর্তা
ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে: কাদের
ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল
সাদুল্যাপুরে কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু