রূপগঞ্জে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আহত জামালউদ্দিনের মৃত্যু

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

জোরপূর্বক জমি বিক্রিতে বাধ্য করার প্রতিবাদে রূপগঞ্জে শনিবার বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ জামালউদ্দিন (২৬) রোববার দুপুরে ঢাকা হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

php glass

ঢাকা :জোরপূর্বক জমি বিক্রিতে বাধ্য করার প্রতিবাদে রূপগঞ্জে শনিবার বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ জামালউদ্দিন (২৬) রোববার দুপুরে ঢাকা হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

তার পিতার নাম রফিকুল ইসলাম, বাড়ি রূপগঞ্জের হরিণা কান্দারপাড় গ্রামে।

নিহত জামালউদ্দিনের চাচা আইনউদ্দিন বাংলানিউজকে জানান, ‘শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মসুর সেনা ক্যাম্পের সামনে জামালউদ্দিন ডান উরুতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে লোকজন প্রথমে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে জামালউদ্দিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তার অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জামালউদ্দিনকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর তার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। সকাল পৌনে ১০টায় জামালউদ্দিনকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করার পর দুপুর ১২টার দিকে মারা যায়।’

শেরেবাংলানগর থানার উপ-পরিদর্শক নিজামউদ্দিন দুপুর সোয়া একটায় জামালউদ্দিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, ‘এইমাত্র খবর পেয়েই মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ পাঠানো হলো।’

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে জামালউদ্দিনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

জামালউদ্দিনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রূপগঞ্জের সাধারণ মানুষজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরই রূপগঞ্জের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আরও অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফোরকান শিকদার বাংলানিউজকে জানান।

নিখোঁজ ২ জনের সন্ধান মেলেনি

এদিকে শনিবার দিনভর বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে র‌্যাব-পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ দুই গ্রামবাসীর সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের পরিবারের সদস্যরা সর্বত্র হন্যে হয়ে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

নিখোঁজ দুই যুবক হচ্ছেন, মাসুদ রানা (৩২), পিতা শহর আলী ও সাইফুল ইসলাম (২২), পিতা লেয়াজউদ্দিন। উভয়ের বাড়ি বানিয়াছনি গ্রামে।

 রূপগঞ্জ থানার সামনে থেকে  নিখোঁজ হন মাসুদ রানা। পিতা শহর আলীর সঙ্গে রোববার বিকেলে তার কথা হয়। তিনি বাংলানিউজকে জানান, ‘মাসুদ রানা যাত্রাবাড়ি এলাকায় ফল ব্যবসার কাজে জড়িত। কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতো না। শনিবার জনতা-পুলিশ র‌্যাবের সংঘাত-সংঘর্ষের সময় সে মসুর সেনা ক্যাম্পের সামনের রাস্তা দিয়ে যাত্রাবাড়িতে তার ফলের দোকানের দিকে রওয়ানা দেয়।’

তিনি বলেন, ‘সংঘর্ষের স্থলে কে বা কারা তাকে লুটিয়ে পড়তে দেখে বলে শোনাও গেছে। কিন্তু এরপর থেকে আর কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।’

নিখোঁজ অপর যুবক সাইফুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকান চালায়। তার পিতা লেয়াজ উদ্দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খোঁজাখুঁজি শেষে বাংলানিউজকে জানান, ‘কোথাও সাইফুলকে পাওয়া যাচ্ছে না।’ সব মেডিকেল-ক্লিনিক খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত লেয়াজউদ্দিন নানা অজানা আশঙ্কায় ডুকরে কেঁদে ওঠেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৭১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৪, ২০১০

ঈদে মোরগ লড়াই নিয়ে টেলিফিল্ম ‘দোস্ত দুশমন’
বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম সেঞ্চুরিগুলো
পাকিস্তানে নামাজের সময় মসজিদে বিস্ফোরণ, হতাহতের খবর
জীবনে ব্যর্থতা, একটাও কবিতা লিখতে পারিনি: মুহিত
লাখো মুসল্লির ঈদের নামাজে প্রস্তুত হচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ


সরকার কি খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে চায়: ফখরুল
সেইলর-দৃষ্টি চিটাগাং ওপেন ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপ উদ্বোধন
পদত্যাগ করছেন টেরিজা মে
সাতক্ষীরায় আটক প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ২১ জনের কারাদণ্ড
মহরতের পর সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন অধরা খান