ঠাকুরগাঁওয়ে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ: দিশেহারা কৃষক

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

ঠাকুরগাঁওয়ে আমন ক্ষেতে পোকার ব্যাপক আক্রমণ ও রোগবালাইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। এছাড়া বৃষ্টি না হওয়ায় বিবর্ণ হয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চেয়েও পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

php glass

ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ে আমন ক্ষেতে পোকার ব্যাপক আক্রমণ ও রোগবালাইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। এছাড়া বৃষ্টি না হওয়ায় বিবর্ণ হয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চেয়েও পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

বোরো ধানের বাম্পার ফলনের পর আশায় বুক বেঁধেছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক। কিন্তু ধান ক্ষেতে হঠাৎ করে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কারেন্ট পোকা, লেদা পোকা, মাজরা পোকা, নলিমাছি, চুঙ্গি পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকার সঙ্গে যোগ হয়েছে খোলপোড়া রোগ।

বাজার থেকে সংগ্রহ করা কীটনাশক দিয়েও পোকার আক্রমণ ও বিভিন্ন ধরনের রোগ ঠেকাতে পারছে না কৃষকরা। শুধু তাই নয়, অনেক এলাকায় বের হওয়া ধানের শীষও কালো হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, গত এক মাস যাবৎ জেলায় পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় ধানগাছগুলো হলুদ হয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করলেও তাদের দেখাই মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিগ্রস্ত কৃষকরা।

সদর উপজেলার বরুনাগাঁও গ্রামের কৃষক করিমুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, কারেন্ট পোকা, মাজরা পোকা আর খোলপোড়া রোগে তার প্রায় ৩ বিঘা জমির আমন আবাদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে কৃষি ভিগাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের দেখা পাচ্ছি না।’

একই গ্রামের কৃষাণী জমিলা খাতুন আপে করে বাংলানিউজকে বলেন, ‘পর পর ৪ বার বিষ দিয়েছে। কিন্তু মনে হচ্ছে এতে তে আরও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কি করবো, ভেবে পাচ্ছি না।’

এদিকে, ফলন না হওয়ার আশঙ্কায় অনেক কৃষক কাঁচা ধান গাছ কেটে গরুকে খাওয়াচ্ছেন।

ছোট খোচাবাড়ি গ্রামের কৃষক মতিয়র রহমান দেড় বিঘা জমিতে স্বর্ণা জাতের ধান লাগিয়েছিলেন। পোকার আক্রমণে তার সবটুকু আবাদই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভেদুঃখে কাঁচা ধানগাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘ধান হবে না, তাই কেটে নিয়ে গরুকে খাওয়াবো।’

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, ঠাকুরগাঁওয়ে মাঠের পর সবুজ ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তবে তারা জেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমি পোকা ও রোগাক্রান্তের কথা স্বীকার করলেও বাস্তবে তা কয়েকগুন বেশি বলে দাবি কৃষকদের।

এসব অভিযোগ এড়িয়ে গিয়ে কৃষি সম্প্রারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক নুরুস সফিউর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ‘পোকার আক্রমণ হচ্ছেম, তা নিয়ন্ত্রণও করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগ তৎপর রয়েছে।’

এদিকে, পোকা দমনে কার্যকর পদপে নেওয়ায় না হলে খাদ্য উদ্বৃত্ত এ জেলায় ধানের ফলন ল্যমাত্রার অর্ধেকও হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ০৯১৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৬, ২০১০

সাদার্ন  ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা  
ভারতে ভোটবিমুখ ভোটার, খুশি নয় ইসি
বৈশাখী মেলায় জমজমাট বিকিকিনি লোকজপণ্যের
কারের পর বাস পিষে গেলো দাদী-নাতিকে
মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৩ নেতা স্থায়ী বহিষ্কার


নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু
মেয়ের পাশে চিরশায়িত সালেহ আহমেদ
মোহাম্মদপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
আইইউবিএটির প্রথম উপ-উপাচার্য মাহমুদার মৃত্যুবার্ষিকী
৪৫ প্রশাসনিক পদ ছাড়লেন ববি শিক্ষকরা