জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন-আইনের খসড়া প্রস্তুত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

নদীর অবৈধ দখল রোধের পাশাপাশি নদী ও পরিবেশ দূষণ রোধে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন-আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে সরকার।

ঢাকা: নদীর অবৈধ দখল রোধের পাশাপাশি নদী ও পরিবেশ দূষণ রোধে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন-আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে সরকার।

এ আইনের অধীনে ছয় সদস্যের একটি জাতীয় কমিশন গঠন করা হবে।

শনিবার নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নদী ও পরিবেশরক্ষায় জাতীয় কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন-আইনের খসড়া তৈরির কাজ শেষ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নদী ও পরিবেশ বিষয়ক সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে খসড়াটির ওপর মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে মতামত দেবেন।’

খসড়া আইনটি অনুমোদনের জন্য আগামী মাসে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। পরে তা জাতীয় সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা হবে। আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে কমিশনের স্থাবর ও অস্থাবর দু’ ধরনের সম্পত্তি অর্জনের অধিকার, অধিকারে রাখার এবং হস্তান্তর করার ক্ষমতা থাকবে।

কমিশনের পক্ষে মামলা করা যাবে এবং কমিশনের বিরুদ্ধেও মামলা করা যাবে।

খসড়ায় কমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান ও অনধিক পাঁচ সদস্যের সমন্বয়ে কমিশন গঠন করা হবে।

কমিশনের চেয়ারম্যান ও একজন সদস্য সার্বক্ষণিক এবং বাকিরা অবৈতনিক হবেন।

সদস্যদের মধ্যে একজন নদী বা পানি বিশেষজ্ঞ, একজন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং একজন মহিলা সদস্য থাকবেন।

চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হবেন।

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ, মেয়াদ ও পদত্যাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে বাছাই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিন বছর পর্যন্ত নিজ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বাছাই করতে ছয় সদস্যের কমিটি থাকবে। এ কমিটির সভাপতি হবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- নৌ, আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, ভূমি, পানিসম্পদ এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব।

কমিশনের কাজ হবে নদী অবৈধ দখলমুক্ত করা, নদী ও নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি নদীর পানি দূষণমুক্ত রাখতে সরকারের কাছে সুপারিশ করা।  

সেইসঙ্গে বিলুপ্ত বা মৃতপ্রায় নদীর খনন, নদী গবেষণা পরিচালনা করা ও নদী সংক্রান্ত তথ্য ভাণ্ডারের উন্নয়ন, নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতেও তারা সরকারের কাছে সুপারিশ করতে পারবে।

প্রতি বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে কমিশন তার আগের বছরের কার্যাবলি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেবে।

আইনের উদ্দেশ্য পূরণ করতে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে কমিশন বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ০২, ২০১০

Nagad
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে তাপস-আতিকের শোক
সাহারার মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতা-জাপা চেয়ারম্যানের শোক
করোনায় রিজেন্ট হাসপাতাল মালিকের বাবার মৃত্যু
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক
সাহারা খাতু‌নের মৃত্যুতে মন্ত্রীদের শোক


সাহারা খাতুন ছিলেন আ.লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা: রাষ্ট্রপতি
স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ সম্মানী দেবে সরকার
আমি পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আর নেই
সৌদি থেকে ফিরলেন আটকে পড়া ৪১৮ বাংলাদেশি