php glass

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক দুটি প্রামাণ্যচিত্র

20 | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

‘এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে খুব ভালো লাগছে। কারণ হলভরা দর্শকের অধিকাংশই তরুণ প্রজন্মের। মুক্তিযুদ্ধের সময় শত মানুষের আহাজারি দেখেছি; শুনেছি যুদ্ধে স্বজনহারা  মানুষের করুণ জীবনকাহিনী । মা-বাবার সামনে কেটে ছয় টুকরো করা হয়েছে তাদের সন্তানকে।

‘এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে খুব ভালো লাগছে। কারণ হলভরা দর্শকের অধিকাংশই তরুণ প্রজন্মের। মুক্তিযুদ্ধের সময় শত মানুষের আহাজারি দেখেছি; শুনেছি যুদ্ধে স্বজনহারা  মানুষের করুণ জীবনকাহিনী । মা-বাবার সামনে কেটে ছয় টুকরো করা হয়েছে তাদের সন্তানকে। তার অপরাধ সে আওয়ামী লীগ করত। এ কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার আল-বদর নামের কিছু হায়ানার দল। এসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে। কারণ জনগণ এ বিচার চায়। পরিচালক ফৌজিয়া খান এদের সামান্য কিছু নির্যাতন তুলে ধরেছেন।’ এ কথাগুলো বলছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার।

ফৌজিয়া খান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক দুটি প্রামাণ্যচিত্র ‘সে কথা বলে যাই’ এবং ‘কোথায় পাবো তারে’র ডিভিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে  তিনি এ কথাগুলো বলেন।  ২ অক্টোবর শনিবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনের এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও নাট্যব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দীন ইউসুফ, এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান প্রধান নওয়াজেশ আলী খান এবং ‘সে কথা বলে যাই’ প্রামাণ্যচিত্রর প্রধান চরিত্র নূর খাতুন।
   
নাসিরউদ্দীন ইউসুফ এবং নূর খাতুন মুক্তিযুদ্ধে তাদের প্রত্যক্ষ আভিজ্ঞতার কথা দর্শকের সামনে তুলে ধরেন। নওয়াজেশ আলী খান প্রামাণ্যচিত্র দুটি সম্পর্কে বলেন, ‘এ ধরনের কাজ সত্যিই শ্রমসাধ্য। আশা করছি আমার মতো আপনাদেরও এ প্রচেষ্টাটি ভালো লাগবে ।’

অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মানজারে হাসীন মুরাদ।

কোথায় পাবো তারে...

দৈর্ঘ্য: ২৬ মিনিট ।
কেন্দ্রীয় চরিত্র রবীন্দ্রনাথ সরকার।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় চিরতরে হারিয়ে গেছেন মানিকগঞ্জের হেলাচিয়া গ্রামের রবীন্দ্রনাথ সরকার। এ হলো বন্ধুর প্রতি বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতার এক নির্মম কাহিনী। রাজনীতির নামে, ধর্মের নামে, রাষ্ট্রীয় অখ-তার নামে ব্যক্তিগত লোভ, লালসা ও স্বার্থ চরিতার্থ করার আরো একটি কলঙ্কজনক নমুনা। দুঃখজনক এই ঘটনার নায়ক নিখোঁজ রবীন্দ্রনাথ সরকারের সহপাঠী-বন্ধু তদানীন্তন শান্তি কমিটির মানিকগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান দিদার বক্সের ছেলে পিয়ারা। তারই ষড়যন্ত্র ও যোগসাজসে হানাদার পাকবাহিনী আসে হেলাচিয়া গ্রামে।  পাকবাহিনী পিয়ারার সহযোগিতায় রবীন্দ্রনাথ সরকারকে সেই যে ধরে নিয়ে গেছে তারপর আর ফিরে আসেননি তিনি। প্রামাণ্যচিত্র ‘কোথায় পাবো তারে’ মুক্তিযুদ্ধের সময় হারিয়ে যাওয়া সেই রবীন্দ্রনাথ সরকারকে চেনার চেষ্টা করেছে।

সে কথা বলে যাই

দৈর্ঘ্য: ৩৯  মিনিট ।
এর প্রধান চরিত্র নূর খাতুন।

এখানে এক মেয়ের সামনে তার বাবাকে খুন করার কথা বলা হয়েছে। নূর খাতুন এখানে বর্ণনা করেছেন সেই সময়ের হত্যা ও নির্যাতনে রাজাকারদের সহায়ক ভূমিকার কথা। তিনি তার বাবার হত্যার বিচার চান ।

দুটি প্রামাণ্যচিত্রের পরিকল্পনা, গবেষণা, চিত্রনাট্য, সম্পাদনা ও পরিচালনা করেছেন ফৌজিয়া খান । সম্পাদনা সহযোগী ও শব্দগ্রহণ: নাজমুস সাকিব কচি।  ধারাভাষ্য রচনা ও চিত্রগ্রহণ: মোসাদ্দেক মিল্লাত । এটিএন বাংলার অর্থায়নে প্রযোজনা: রে ভিশন ।

প্রাঙ্গনেমো’র আয়োজনে দুই বাংলার নাট্যমেলার ১১তম আসর
ঘুমের সমস্যায়, এক মিনিটের থেরাপি!
ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ
ঘণ্টা বাজিয়ে খেলার উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে থেকে আম-কাঁঠাল-লিচু নেবে তুরস্ক


আট কেজি স্বর্ণ শাহ আমানত বিমানবন্দরের টয়লেটে
আগের দিন আ’লীগের কমিটিতে, পরের দিন আটক
দুই পরিবর্তন নিয়ে ঐতিহাসিক টেস্টে বাংলাদেশ
ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
দিবারাত্রির টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ