বেঙ্গলে রঙিন উৎসব ও রঙের কারুকাজ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

walton

আমাদের আশপাশে ছড়িয়ে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান থেকে কত  বৈচিত্র্যময় রঙ তৈরি করা সম্ভব তা হয়তো আমরা চিন্তাও করি না। সাধারণ পিঁয়াজের খোসা থেকে গাঢ়  এবং  হালকা সোনালি ও জলপাই রঙ তৈরি করা যায়। ফুল-ফল গাছের ছাল-শেকড় সবখানেই আছে রঙের সমারোহ।

php glass

আমাদের আশপাশে ছড়িয়ে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান থেকে কত  বৈচিত্র্যময় রঙ তৈরি করা সম্ভব তা হয়তো আমরা চিন্তাও করি না। সাধারণ পিঁয়াজের খোসা থেকে গাঢ়  এবং  হালকা সোনালি ও জলপাই রঙ তৈরি করা যায়। ফুল-ফল গাছের ছাল-শেকড় সবখানেই আছে রঙের সমারোহ।

সেই আদিকাল থেকে মানুষ কাপড়ে এ ধরনের রঙ ব্যাবহার করে আসছে। বিশ্বসভ্যতা থেকে শুরু করে বাঙালি সভ্যতায়ও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। আমাদের দেশে বর্তমানে এ ব্যবহার ধরে রেখেছেন আদিবাসীরা।

এ ছাড়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এ  নিয়ে কাজ করছে। ‘অরণ্য’ বিগত দুই দশক ধরে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক রঙ নিয়ে কাজ করছে। এই কাজে তারা প্রাধান্য দিয়েছে সৃজনশীলতা ও রুচির উন্নয়নকে। প্রাকৃতিক রঙের পুনরুজ্জীবনের অভিযাত্রাকে আরো এগিয়ে নিতে এবং অরণ্যের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে অরণ্য ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথভাবে আয়োজন করছে ‘রঙিন উৎসব’ ও প্রাকৃতিক রঙের বস্ত্রশিল্পের বিশেষ প্রদর্শনী।

১৪ জানুয়ারি শুক্রবার  থেকে নয় দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। দুপুর ১২টা থেকে রাত  ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এ প্রদর্শনী।

প্রদর্শনীতে ঢুকলে সত্যি সত্যি বোঝা যাবে, যেন এটা একটা  রঙের দুনিয়া। বৈচিত্রময় বস্ত্র প্রদর্শনী ছাড়াও এখানে প্রদর্শন করা হচ্ছে কোন উপাদান থেকে কী রঙ কীভাবে তৈরি করা যাবে।

প্রদর্শনী দেখলে জানা যাবে পেঁয়াজ, হরিতকি, গাব, কাঁঠাল, ঝাউ, গাঁদা ও চাঁপা এসব থেকে কীভাবে রঙ তৈরি করা যাবে। কীভাবে তাঁতিরা এ রঙ ব্যবহার করেন তাও দেখা যাবে এ প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনীতে চীন, জাপান, মিয়ানমার, মালি, ভারত, মালয়েশিয়া, আফ্রিকা এবং বাংলাদেশের প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করা কাপড় প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রতিটি কাপড়ে ফুটে উঠেছে প্রতিটি দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।

প্রদর্শনী সম্পর্কে জানাতে ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে অরণ্য ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। এতে প্রদর্শনী সম্পর্কে আলোচনা এবং সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অরণ্যের রুবী গজনভী ও  চন্দ্রশেখর সাহা । এটি সঞ্চালন করেন বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস-এর পরিচালক সুবীর চৌধুরী। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান।

১৪ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বেঙ্গল শিল্পালয়ে নয় দিনব্যাপী এ উৎসব ও প্রাকৃতিক রঙের বস্ত্রশিল্পের বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষ অতিথি থাকবেন বিশ্ব কারুশিল্প পরিষদের সভাপতি মিজ উষা কৃষ্ণ এবং বিশ্ব কারুশিল্প পরিষদের এশিয়াপ্যাসিফিক অঞ্চলের সভাপতি মিজ সুরাপি রোযানাভংসে। সম্মানিত অতিথি থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক পারভীন হাসান। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রদর্শনীটির স্পনসর করছে।

১৫ জানুয়ারি শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী প্রাকৃতিক রঙ দিয়ে ছবি আঁকার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বিশিষ্ট শিল্পীরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করবেন।

আয়োজন সম্পর্কে রুবী গাজনভী বাংলানিউজকে বলেন ‘ প্রাকৃতিক রঙ যেমন সাশ্রয়ি তেমনি টেকসই, এ সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে জানানোর জন্যই এ আয়োজন।’

বাংলাদেশ সময় ২০৫০, জানুয়ারি ১৩, ২০১১

পাবনায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
পূর্বধলা, কটিয়াদী, মঠবাড়িয়াসহ ৫ উপজেলার ভোট ১৮ জুন
খালেদার সুচিকিৎসা ও মুক্তি দাবিতে ব‌রিশা‌লে মানববন্ধন
কুতুবদিয়া উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ভোট ১৩ জুন
ববি শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম, থানায় মামলা


কৃষকের কাছে গিয়ে ধান কিনলেন রাজশাহীর ডিসি
দুর্গম পাহাড়েও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার দাবিতে মানববন্ধন 
৫ পরিবহনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
রাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন