বা‌ছির-‌মিজা‌নের মামলার অভিযোগ গঠন শুনা‌নি শুরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

এনামুল বাছির ও মিজানুর রহমান

walton

ঢাকা: দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশ‌নের (দুদক) প‌রিচালক খন্দকার এনামুল বাছির এবং পু‌লি‌শের ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারির মামলায় অভি‌যোগ শুনা‌নি শুরু হ‌য়ে‌ছে। ঢাকার চতুর্থ বি‌শেষ জজ শেখ নাজমুল আল‌মের আদাল‌তে এই শুনা‌নি শুরু হয়।

বুধবার (০৪ মার্চ) আং‌শিক শুনা‌নির পর আগামী ১৬ মার্চ পরবর্তী দিন ধার্য ক‌রেছেন আদালত। এ সময় বা‌ছির ও মিজান আদাল‌তে উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

গত ১৯ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদ‌কের প‌রিচালক শেখ মো. ফানা‌ফিল্লা ‌ অভিযোগপত্র দা‌খিল ক‌রেন। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহানগর সি‌নিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বদলির আদেশ দি‌য়ে ৪ মার্চ অভি‌যোগ গঠন শুনা‌নির দিন ধার্য ক‌রেন। 

গত ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লা মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর দুদক পরিচালকের পদ থেকে খন্দকার এনামুল বাছির ও পুলিশের ডিআইজির পদ থেকে মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গত ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুষ দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদক সংস্থার সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটি ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অবৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এক সংবাদ পাঠিকাকে জোর করে বিয়ে করার সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরসহ দুদকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে বিতর্কিত ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পরে ২৫ জুন তাকে সাময়িক বরখাস্তের কথা সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

গত বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে। অপরদিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজানকে এই মামলায়ও গ্রেফতার দেখানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২৫ ঘণ্টা, মার্চ ০৪, ২০২০
কেআই/জেডএস

পালানোর চেষ্টা করোনা রোগীর, ধরে হাসপাতালে পাঠালো পুলিশ
মঠবাড়িয়ায় তরুণীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার
ঈদের দিনেও বিষোদগারের রাজনীতি থেকে বের হয়নি বিএনপি
ঈদেও থেমে নেই সিএমপির সদস্যরা
প্রকৌশলী দেলোয়ারের হত্যাকারীদের বিচার চায় টিআইবি


ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩
বরগুনায় প্রকাশ্যে পিটিয়ে কিশোর হত্যা
'শহরতলী চুপ' ও 'মেঘ বালিকা' নিয়ে ঈদে সমরজিৎ
বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু
শিক্ষাবিদ নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক