php glass

অস্ত্র মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সেই অশীতিপর রাবেয়া

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বৃদ্ধা রাবেয়া

walton

ঢাকা: ২০০২ সালের তেজগাঁও থানার এক অস্ত্র মামলায় অশীতিপর রাবেয়া খাতুনকে অব্যাহতি দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আশরাফুল আলম নোবেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুন অর রশীদ।

পরে আশরাফুল আলম নোবেল জানান, ২০০২ সালে তার নামে এজাহার হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন যাবত মামলাটি জজকোর্টে চলছিল, নিষ্পত্তি হচ্ছিল না। ওই বৃদ্ধার ভাষ্যমতে তার বয়স ১০৪ বছর। এটা পত্রিকায় দেখে হাইকোর্টে আবেদন করি। আদালত ২৯ এপ্রিল রুল জারি করেন এবং মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। গত ১৫ অক্টোবর মামলাটির ফাইনাল শুনানি হয়। আদালত রায়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে রাবেয়া খাতুনের ক্ষেত্রে মামলাটি কোয়াশড (বাতিল) করেছেন। অর্থাৎ রাবেয়া খাতুন এই মামলায় আর কোর্টে যেতে হবে না।

‘তার ক্ষেত্রে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেলো। অ্যাবিউজ অব দ্য প্রসেস অব কোর্ট প্রমাণিত হয়েছে। যে প্রসেসে বিচার কার্যক্রম চলবে সেটি নানা কারণে ব্যাহত হয়েছে। এ কারণগুলো কোর্টে তুলে ধরেছি। কারণ হচ্ছে দীর্ঘদিন সাক্ষী আসে না। ২০০৩ সালে চার্জ ফ্রেম হয়েছে। ২০০৬ সালে মাত্র তিনজন সাক্ষী হন। এরপর দীর্ঘ ৮ বছর কোনো সাক্ষী নেই। কিন্তু প্রতি তারিখে এই বৃদ্ধকে কোর্টে হাজির থাকতে হতো।’

তিনি আরও বলেন, পরে ২০১৪ সালে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিল। এ পর্যন্ত আর কোনো সাক্ষী নেই। এত বছর কেন ডিলেই হলো এর বক্তব্য রাষ্ট্রপক্ষ দিতে পারেনি। যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি।

অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ তেজগাঁও থানার গার্ডেন রোডের একটি বাসা থেকে রাবেয়া খাতুনকে ২০০২ সালের ২ জুন গ্রেফতার করে পুলিশ। সেদিনই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় জুলহাস ও অপর এক ব্যক্তি মাসুদকে আসামি করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়। এর প্রায় ছয়মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর রাবেয়া খাতুন ও জুলহাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। তবে ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর এ মামলায় ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলার বিচার দীর্ঘ ১৬ বছরেও সম্পন্ন না হওয়ায় এ নিয়ে গত ২৫ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অশীতিপর রাবেয়া: আদালতের বারান্দায় আর কত ঘুরবেন তিনি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আশরাফুল আলম নোবেল।

ওই আবেদনের পর এই রিট আবেদনের ওপর শুনানির সময় আসামি জুলহাস মিয়া বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন সেই বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। এরপর ভোলার পুলিশ সুপার, ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকসহ সংশ্লিষ্টদের তলব করেছেন। পরে ১৫ অক্টোবর শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ অক্টোবর দিন ঠিক করেন


বাংলাদেশ সময়: ১১৫০ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩০,২০১৯
ইএস/এএ

আগৈলঝাড়ায় আগুনে পুড়লো ৮ দোকান
বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের দায়ে ৬৭০ যাত্রীকে জরিমানা
পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতায় অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট
প্রথমবারের অভিজ্ঞতায় দ্বিতীয়বার আশাবাদী বন্ডস্টাইন
‘গ্যারেথ বেলের উচিৎ পুনরায় টটেনহামে ফিরে যাওয়া’ 


নওগাঁ-ঢাকা রুটে বাস চললেও এখনো বন্ধ অভ্যন্তরীণ রুটে
বাংলাদেশে পর্যটকদের মাত্র ২ শতাংশ বিদেশি!
রায়পুরে গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত
‘হাল ছাড়া সহজ, লেগে থাকা কঠিন, কিপ প্যাডেলিং’
বছরে ১৪ মিলিয়ন পর্যটক আসে হা লং-এ: ডং হুই হাউ